রোজায় মুমিন দেহ-মন জ্বালিয়ে পবিত্র করে প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৪, ২০২৪ হজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন, রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন, রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায়, নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন, রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন, রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদনহজরত মুহাম্মদ (স) বলেছেন, রোজাকে তাওরাত শরিফে ‘হাত্ব’ বা পাপমোচনকারী বলা হয়েছে। বাইবেলে ‘ত্বাব’ বা পবিত্রকারী; রোজাদার পাপমুক্ত ও পবিত্র হয় বলে। জবুর শরিফে রোজাকে ‘কুরবাত’ বা নৈকট্য বলা হয়েছে; মানুষ অপরাধমুক্ত থেকে আল্লাহর নৈকট্য লাভের সুযোগ পায় বলে। কোরআন শরিফে ‘রমাদান’ মানে দগ্ধ করা; ইবাদত-সাধনার দহনে মুমিন দেহমন জ্বালিয়ে পবিত্র করে বিধায় এই নাম। হাদিসের ভাষ্য মতে- রোজার নামকরণেই অপরাধমুক্তির আবেদন আছে। বুখারি শরিফে বর্ণিত- রাসূল (স) বলেন, রোজা ঢালস্বরূপ। ঢাল শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে; রোজা অপরাধ ও পাপ থেকে হেফাজত করে। রমজান ধীরে ধীরে বিদায় নিতে যাচ্ছে। আমাদের সমাজ রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটা অপরাধমুক্ত হয়ে উঠেছে; কতটা সভ্য, ভদ্র ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ছে আমাদের চেতনা-বিশ্বাস সে দিকে দৃষ্টি রাখা জরুরি। অপরাধমুক্ত সমাজের বাসিন্দারা সুশৃঙ্খল কর্মমুখী হবে; মূর্তমান হবে দেশপ্রেম ও মানবতার আদর্শে। ভ্রাতৃত্ববোধ, জনকল্যাণ ও সেবার ছোঁয়া থাকবে সব কাজে। রাসূল (স) বলেছেন রোজাদারের প্রতি উত্তেজিতকে বলবে, আমি রোজাদার আমি কটু কথা বলব না। পবিত্র কোরআনের ভাষ্য থেকে অনুমান করা যায় নৈতিক, সামাজিক মূল্যবোধ ও চারিত্রিক কল্যাণের ধারক বানানোর জন্য আল্লাহ রোজাকে ফরজ করেছেন। কোরআন বলছে- হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো। [সূরা বাকারা : ১৮৩] তাকওয়ার ভিত্তি হলো- সততা ও নৈতিকতা। সমাজজীবনে যখন নৈতিকতার চর্চা ব্যাপক হবে, তখনই তাকওয়ার প্রদীপ জ্বলবে। ব্যক্তিজীবনে আদর্শিক সুন্দর্য্য রক্ষার জন্য নবীজি বলেছেন, উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণতা দানের জন্য আমি প্রেরিত হয়েছি। [ইবনে মাজা] রোজাদারের জীবন আঙিনায় নৈতিকতার চর্চা হোক। বছরব্যাপী দীর্ঘ হোক এই চর্চার আবেদন শিক্ষক : শেখ জনূরুদ্দিন রহ. দারুল কুরআন মাদরাসা, চৌধুরীপাড়া ঢাকা SHARES ধর্ম বিষয়: রোজারোজায় মুমিন