কুত্‌বে আজম গাউছে মোকাররম হযরত মাওলানা শাহ সূফী সৈয়দ আব্দুচ্ছালাম ঈছাপুরী (রহ.) স্মরণীয় ও বরণীয়

প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৫, ২০২৪

বারো আউলিয়ার তথা বহু আউলিয়ার আধ্যাত্মিক ফয়েজ বারী বিধৌত এ চট্টগ্রাম। এখানে বহু আউলিয়ার সাধনা নিকেতন হওয়া বিধায়, এটি পৃথিবীর বিভিন্ন পুণ্যভূমির সঙ্গে ইতিহাসের পাতায় সমমর্যাদায় স্থান পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রামের এ গৌরবকে অক্ষুণ্ন এবং অমন রাখার মানসে পরম করুণাময় আল্লাহ্ তা’আলা তাঁর খাস রহমত স্বরূপ এমন একজন যুগশ্রেষ্ঠ মহান ওলীর আবির্ভাব ঘটিয়েছেন, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর গ্রামের সৈয়দ পাড়া মুনসেফ পরিবারে, তিনি হচ্ছেন কুতুবে আজম গাউছে মোকাররম হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ আব্দুচ্ছালাম ঈছাপুরী (রহ.) এবং তিনি হচ্ছেন আমার পীর-মোর্শেদ। আমি ১৯৬৫ সালে প্রথম তাঁর খেদমতে হাজির হই। তবে আমি ইতিপূর্বে সাদা পোশাকধারী রহস্যময় এক বুযুর্গকে স্বপ্নে দেখেছিলাম। আমি মনে মনে তার খোঁজে ছিলাম। একবার আমার এক বন্ধু শাহ আব্দুর রহমান (রহ.) আমাকে বললেন, আমি আপনাকে মাইজভাণ্ডার শরীফের অদূরে একজন বুযুর্গ ওলীর নিকট নিয়ে যাব। তখন তাঁর সঙ্গে সেই ১৯৬৫ সালে আমি প্রথম বাবাজান আবদুচ্ছালাম ঈছাপুরী (রহ.)-এর খেদমতে হাজির হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করি। আমি তাঁর হুজুরা শরীফে ঢুকেই সালাম আরজ করলাম এবং কদমবুচি করলাম। তবে আমি তাঁকে দেখা মাত্রই আমি যে ইতিপূর্বে স্বপ্নে একজন বুযুর্গকে যে বেশভূষা, সাদা দাড়ি, পাগড়ি পরিহিত অবস্থায় দেখেছিলাম ঠিক একই অবস্থায় তাঁকে দেখতে পেলাম এবং আমি মনে মনে স্থির করে নিলাম ইনিই আমার স্বপ্নে দেখা সেই বুযুর্গ।

যুদ্ধের পর দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। তখনো ব্যাংকের চাকরিতে নিয়োজিত আছি। একদিন হুজুরের দরবারে গেলাম, অনেক কথাবার্তার পর হুজুর বললেন, বাবা ব্যবসা করতে পারেন না? বললাম, হুজুর! পারি তো কিন্তু টাকা তো নাই। তখন হুজুর দৃঢ়ভাবে বললেন, টাকা আল্লাহ্ই দেবেন। তাঁর এই কালামের বরকতে ব্যবসা শুরু করেছি। সেই থেকে হুজুরের দোয়ায় আর দয়ায় আজ মহান আল্লাহ্পাক এই অবস্থায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। ১০০ টাকার গোলাম আজ মিল-ফ্যাক্টরির মালিক হয়েছি, হাজার হাজার লোকের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা হয়েছে।

বাবাজান ঈছাপুরী (রহ.) একজন কামেলে মোকাম্মেল ওলী ছিলেন। যিনি নজর করম ও তাওয়াজ্জুহ্ দ্বারা ওলী তৈরি করেন তিনিই মোকাম্মেল ওলী। বাবাজান ঈছাপূরী (রহ.)-এর শান-আজমত এতই উঁচু দরজার যে, যা বলে-লিখে শেষ করা যাবে না। আমরা যা বলব বা লিখব, তা হবে অথৈ সাগরে ঢিল ছোড়ার শামিল। তার পরও আজ তাঁর বেছাল বার্ষিকী ওরছ শরীফ উদযাপন উপলক্ষে আমার সীমিত জ্ঞানে তাঁর জীবনধারার কিছু বর্ণনা তুলে ধরার প্রয়াস পেলাম।

প্রথমত তিনি মাইজভাণ্ডারী শরাফতের প্রবক্তা গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ আহমদুল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর বেশারতপ্রাপ্ত ও আশীর্বাদপুষ্ট এবং গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাজান কেবলা মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর অন্যতম প্রধান খলিফা। তাঁর পিতা সৈয়দ সিদ্দিক আহমদ সেরেস্তাদার সাহেব একজন স্বনামধন্য ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর পিতামহ হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ আমিন উদ্দিন মোনসেফ সাহেব, গাউছুল আজম হযরত কেবলা (ক.)-এর হামজামাতি ছিলেন।

হযরত মাওলানা ঈছাপুরী (রহ.)-এর পূর্বপুরুষগণ গৌড় নগর থেকে আগত সৈয়দ হামিদুদ্দীন গৌড়ির বংশধর, যাঁরা বাগদাদ থেকে ধর্ম প্রচারের জন্য গৌড় নগর হয়ে কালের পরিক্রমায় চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করেছিলেন। তাঁদের এক পুত্র সৈয়দ মুহাম্মদ ছানার বংশেই এ মহান সাধকের জন্ম।

গাউছে মোকাররম হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ আব্দুচ্ছালাম ঈছাপূরী (রহ.) মাতৃগর্ভে থাকতেই তাঁর মাতা সৈয়দা জামিলা খাতুন স্বপ্নের মাধ্যমে এ মহান সাধক সম্পর্কে বেশারত লাভ করেছিলেন। ১২৮৬ বঙ্গাব্দ, ১০ জানুয়ারি ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক ২১ জমাদিউস সানি ১২৯৭ হিজরি তারিখে ধরাপৃষ্ঠে তশরীফ আনয়ন করেন।

হযরত ঈছাপুরী (রহ.)-এর বাল্য জীবন তাঁর পরবর্তী মহৎ জীবনের দর্পণ স্বরূপ। তাই আমরা তাঁর বাল্য জীবনের ওপর একটা নাতিদীর্ঘ আলোচনার প্রয়াস পেতে চাই। বালক ঈছাপুরী (রহ.)-এর মাতামহী (নানি) অত্যন্ত ধর্ম পরায়ণা ছিলেন। তিনি হযরত রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি এতই আসক্তা ছিলেন যে, তিনি অবসর সময়ে সর্বদা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বহু মোজেজাপূর্ণ কিচ্ছা কাহিনি বালক ঈছাপুরী (রহ.)-এর কাছে বর্ণনা করতেন। নানির কাছে এ সব মোজেজাপূর্ণ কাহিনি শুনে বালক ঈছাপুরী (রহ.)-এর অন্তর নবীর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ল। তিনি ক্রমশ নবীর প্রেম যন্ত্রণা অনুভব করতে লাগলেন। কী করে হযরত রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্ন যোগে দেখতে পাওয়া যায়, তিনি প্রায়ই এ কথা তাঁর শ্রদ্ধেয়া নানিকে জিজ্ঞেস করতে ছাড়তেন না। নানি তাঁকে বেশি পরিমাণে দরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ দিলেন। বালক প্রতিদিন শোবার আগে অসংখ্যবার দরূদ শরীফ পাঠ করতে লাগলেন। প্রায়ই দরূদ শরীফ পড়া অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়তেন। এভাবে কয়েক রাত অতিবাহিত হওয়ার পর কোনো এক মোবারক রাতে হযরত রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ভাবী নায়েব বালক ঈছাপুরী (রহ.)-কে দর্শন দান করলেন। তিনি আদর করে বালকের মাথায় এবং মুখমণ্ডলে মোবারক হাত বুলালেন। রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম তাঁর মোবারক হাত দিয়ে বালক ঈছাপুরীকে স্পর্শ করার সময় তিনি এমন এক অপূর্ব সুগন্ধি অনুভব করেছিলেন, যা তাঁর পরবর্তী জীবনে নিজ মোর্শেদ গাউছুল আজম হযরত বাবাজান কেবলা (ক.)-এর হুজুরা শরীফে এবং গাউছুল আজম দাদা হযরত সাহেব কেবলা রাহেমা হুল্লাহ্র রওজা শরীফ ছাড়া আর কোথাও পাননি।

উপরোক্ত ঘটনাপ্রবাহের মাঝে একটা রূপরেখাই ভেসে উঠেছে, সেটা হলো নবীপ্রেম। নবীর প্রতি প্রেম যাঁর যত বেশি প্রবল, সম্পর্কের দিক দিয়ে তিনি নবীর কাছে তত বেশি ঘনিষ্ঠ ওয়ারিশ বা উত্তরাধিকারী। এই উত্তরাধিকারী স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির নয় বেলায়েতের। নবুয়তের দ্বার বন্ধ হওয়ার পর বেলায়েতই হেদায়েতের বাহন হিসেবে মনোনয়ন পেল। আর বেলায়েত পরিচালনার ভার ন্যস্ত হলো ওলীউল্লাহ্গণের ওপর।

উল্লেখ্য যে, মরহুম আমিনুদ্দিন মোনসেফ সাহেবের পরবর্তী আওলাদের সবাই ইংরেজি শিক্ষার দিকেই খুব বেশি ঝুঁকে পড়েছিলেন। সুতরাং বালক ঈছাপুরী (রহ.)-এর পিতা মরহুম সৈয়দ সিদ্দিক আহমদ সেরেস্তাদার সাহেবও ছেলেকে ইংরেজি শিক্ষাদানের স্বাভাবিক ইচ্ছা পোষণ করেন। গ্রামের মক্তবে ছেলের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষা দানের মানসে তাঁকে নিজ কর্মস্থল হাটহাজারীতে নিয়ে তথায় স্কুলে ভর্তি করে দেওয়ার মনস্থ করলেন। ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষা উত্তীর্ণ হলে পরবর্তী শিক্ষার পথ সুগম হবে এটাই ছিল সেরেস্তাদার সাহেবের মনোবাসনা। হাটহাজারী স্কুলে ভর্তি হয়ে বালক মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করতে লাগলেন।

পরবর্তী ঘটনা, একবার তাঁর মাতা বালক ঈছাপুরীকে কিছু মিষ্টান্ন দিয়ে হযরত আহমদুল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর খেদমতে পাঠিয়েছিলেন। হযরত কেবলা তাঁর চেহারার দিকে তাকিয়ে কালাম করেছিলেন, “হাচ্ছান কা চেহারা তুম নে আয়া হ্যায়।” এ কালামের রহস্য কেউই তাঁকে বুঝিয়ে বলতে পারেননি। পরবর্তী সময়ে হযরত ছাহেব কেবলা তাঁকেই স্বপ্নযোগে এভাবে বুঝিয়েছেন, অনাগত ভবিষ্যতে তিনি হযরত রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবী হযরত হাচ্ছান ইবনে সাবিত (রা.)-এর বিশেষত্ব নিয়ে তাঁর দরবারের খেদমতে নিয়োজিত হবেন।

উল্লেখ্য, সেই বছর তিনি ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং একসময় তাঁর পিতা তাঁকে নিয়ে হযরত বাবাজান কেবলা গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর খেদমতে দোয়াপ্রার্থী হলেন। তখন বাবাজান কেবলা (ক.) কালাম করলেন, মাওলানা ছাহেব ছাত্রবৃত্তি পরীক্ষা দেন না। অর্থাৎ তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে, কালের পরিক্রমায় তিনি হবেন জগদ্বিখ্যাত মাওলানা এবং তাঁর ত্বরীকার ধারকবাহক; স্কুলের বৃত্তি পরীক্ষা দিয়ে কী লাভ হবে তাঁর? পরবর্তীকালে তিনি বাধ্য হয়ে গাউছুল আজম হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাজান কেবলা মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর বেশারতের ফলস্বরূপ স্কুল ছাড়েন। অতঃপর তিনি স্থানীয় মাদ্রাসায় ভর্তি হন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি আরবি, ফার্সি ও উর্দু ভাষায় অনেক কিতাব মুখস্থ করেন। এতে স্থানীয় বিশিষ্ট আলেম মাওলানা সৈয়দ আবদুল লতীফ সাহেবের অবদান অনস্বীকার্য। পরবর্তী সময়ে তিনি উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য চট্টগ্রাম শহরের মোহছেনিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। তৎকালীন বিখ্যাত পণ্ডিত মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা আব্দুল মাজীদ ও ফখরে বাংলা মাওলানা আব্দুল হামীদ (রহ.)-এর কাছে কুরআন মাজীদ, হাদীস শরীফ ও বিভিন্ন ফিকহ বিষয়ক কিতাবের দরস লাভ করেন। পরে তিনি আরও উচ্চতর ডিগ্রি লাভের আশায় সে সময়কার বিখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলিকাতা আলীয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। তিনি কলিকাতা আলীয়া মাদ্রাসায় জামাতে উলার পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন। পরে তিনি কলিকাতা রামজানিয়া আলীয়া মাদ্রাসা থেকে ফিক্হ শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে ‘মুফতি-এ-আজম’ লকব লাভ করেন।

দেশে ফিরে এসে গাউছুল আজম হযরত বাবাজান কেবলার (ক.) সান্নিধ্যে চলে আসেন। একদিন হযরত বাবাজান কেবলা (ক.) অনেক রহস্যপূর্ণ কথা বলার পর তাঁকে বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানীর ‘ফতহুল গায়ব’, মাওলানা রুমীর ‘মাসনভী’, শায়খুল আকবর মুহিউদ্দিন ইবনে আরবীর ‘ফুছুছুল হিকাম’ ও তাঁর তাফসীর গ্রন্থ অধ্যয়ন করার নির্দেশ দেন। মাওলানা ঈছাপুরী (রহ.) এ সব কিতাব অধ্যয়ন শেষ করে হযরত বাবাজান কেবলার (ক.) দরবারে উপস্থিত হলে তিনি কালাম করলেন, ‘হামারা ফতহুল গায়ব গায়েব মে হ্যায়।’ হযরত বাবাজান কেবলার (ক.) এ বাণী বড় রহস্যপূর্ণ। এ কালামের মর্মার্থ এও হতে পারে যে, তাসাউফের ওপর আপনি যে সব কিতাব পাঠ করেছেন, এ হলো তাসাউফের জগতে প্রবেশ দ্বার। আর আমি আপনাকে যা দান করব, তা আল্লাহ তা’আলার অদৃশ্য জগতের ইল্ম। হযরত বাবাজান কেবলা মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর উপরোক্ত মুবারক কালাম সে দিকে ইঙ্গিত বহন করে। এভাবে গাউছে মোকাররম হযরত মাওলানা সৈয়দ আব্দুচ্ছালাম ঈছাপুরী (রহ.) ইল্মে যাহির ও ইল্মে বাতিন অর্জন করেন। এ মহান সাধক একশ চার বছর হায়াতে শরীয়ত, ত্বরিকত ও তাসাউফ বিষয়ে প্রায় একশ চারখানা কিতাব রচনা করে, তাঁর জ্ঞানের আলোয় জগৎকে আলোকিত করে গেছেন। আরও উল্লেখ্য যে, তিনি বাতেলপন্থিদের বিরুদ্ধে প্রায় ১০৪ খানা মোনাজেরার মজলিশ করে হক্ব মাছআলা প্রচার করেছেন। অবশেষে অগণিত ভক্ত মুরীদানকে শোক সাগরে ভাসিয়ে ১১ চৈত্র ১৩৯০ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ২৫ মার্চ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ, ২১ জমাদিউস সানি ১৪০৪ হিজরি তারিখে মহান আল্লাহ্ তা’আলার আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইহজগৎ ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)।

আজ সেই মহান ১১ই চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ মোতাবেক ২৫ মার্চ ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখে তাঁর পবিত্র বার্ষিক ওরছ শরীফ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্থানীয় ও বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অনেক ভক্ত-মুরীদানের সমাগম হবে। বিশেষ করে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বড় পীর সৈয়দ আব্দুল কাদের জিলানী (রহ.)-এর ১৮তম অধস্তন বংশধর হযরত শায়খ সৈয়দ আফিফ উদ্দিন আল-মানছুর আল জিলানী মু.জি.আ.। এতে আরও অনেক ওলামায়ে কেরাম ও বুযুর্গানে দ্বীন উপস্থিত থেকে মহান ওলী হযরত মাওলানা শাহ্ সূফী সৈয়দ আব্দুচ্ছালাম ঈছাপুরী (রহ.)-এর জীবনদর্শন ও কর্মজীবনের ওপর তথ্যভিত্তিক আলোচনা করবেন।