আড়াই ঘণ্টা পর তাঁতীবাজার ছাড়লেন জবি শিক্ষার্থীরা প্রকাশিত: ৬:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ৬, ২০২৪ ২০১৮ সালের পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো কোটা সংস্কার আন্দোলন করছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সেই আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে সড়ক অবরোধ করে টানা আড়াই ঘণ্টা ধরে অবস্থান করার পর ক্যাম্পাসে ফিরে গেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘসময় অবস্থানের ফলে পুরান ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৬ জুলাই) বেলা আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারে রাস্তা অবরোধ করে সড়কেই অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা স্লোগান দেন, ‘নো কোটা, নো ডিসক্রিমিনেশন’, ‘সংবিধানের মূল কথা, সবার জন্য সমতা’, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘সংগ্রাম না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’, এই বাংলায় হবে না, বৈষম্যের ঠিকানা’, ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে ওঠো আরেকবার’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘এসো ভাই এসো বোন, গড়ে তুলি আন্দোলন’। ১. ২০১৮ সালে ঘোষিত সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিল ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের পরিপত্র বহাল রাখতে হবে। ২. ‘১৮-এর পরিপত্র বহাল সাপেক্ষে কমিশন গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি চাকরিতে (সব গ্রেডে) অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাদ দিতে হবে এবং কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। সেক্ষেত্রে সংবিধান অনুযায়ী কেবল অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। ৩. সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে না এবং কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধা অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে। ৪. দুর্নীতিমুক্ত, নিরপেক্ষ ও মেধাভিত্তিক আমলাতন্ত্র নিশ্চিত করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। Download PhotoCard SHARES শিক্ষা বিষয়: অবরোধতাঁতীতীবাজারেরাস্তা