বাসযোগ্যতা সূচকের নিম্নসারিতে ঢাকা : কারণ ও প্রতিকারসমূহ

প্রকাশিত: ১২:১২ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২৪

ঢাকা, বাংলাদেশের রাজধানী, একটি বৈচিত্র্যময় শহর। এই শহরের ইতিহাস প্রায় এক হাজার বছরের অধিক পুরোনো। ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশের মধ্যভাগে বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীর সংলগ্ন সমতল অঞ্চলে অবস্থিত। ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ায় মুম্বাইয়ের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শহর। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে এই শহর বাংলাদেশের অন্যান্য শহরগুলো থেকে অধিক গুরুত্ব বহন করলেও বিশ্বব্যাপী বসবাসযোগ্যতার সূচকে এটি প্রায় সবসময়েই নিচের দিকে থাকে।

ব্রিটেনের প্রভাবশালী ম্যাগাজিন ‘দ্য ইকোনমিস্ট’-এর সহযোগী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বিশ্বের বসবাসের যোগ্য শহরের একটি তালিকা সম্প্রতি প্রকাশ করেছে যার মধ্যে ৪৩.০ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকার অবস্থান ১৭৩ টি দেশের মধ্যে ১৬৮তম। মোটা দাগে বলা যায় আমাদের ঢাকা শহরে বাস করা প্রায় দুই কোটির অধিক মানুষ আছে ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকিসহ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ঝুঁকিতে । যদিও শহরটি তার বিস্তৃত জীবিকা ও সুযোগ-সুবিধার জন্য পরিচিত, সেখানে সামাজিক স্থিতিশীলতার অভাব ঢাকার বসবাস যোগ্যতাকে ক্রমাগত হ্রাস করছে। কেনো ঢাকা এই সূচকে এত পিছিয়ে রয়েছে তা বিশ্লেষণ করার জন্য আমাদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এর বাসযোগ্যতা সূচক পরিমাপ করার মানদন্ড গুলো হলোঃ স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও ন্সকৃত এবং শিক্ষা ও অবকাঠামো। এই মানদন্ডের যেকোনো একটিতে কিঞ্চিৎ ঘাটতি কোনো শহরকে বসবাসযোগ্যতার সূচকে পিছিয়ে দেয়। ঢাকা কেনো এই সূচকে পিছিয়ে তার উত্তর খোজার জন্য আপনাকে বিশেষজ্ঞ হতে হবে না বরং ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এর ৫ টি মানদন্ডের দিকে তাকিয়ে নিজেকেই প্রশ্ন করুন প্রাণের শহর ঢাকা’তে এই মানদন্ড গুলোর কয়টি আমরা যথাযথভাবে পাচ্ছি কিংবা আমাদের নগর সংস্থা আমাদেরকে কতটুকু দিচ্ছে?