টানা তৃতীয় বছরের মতো কমলো চীনের জনসংখ্যা প্রকাশিত: ১২:১৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৮, ২০২৫ শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) বেইজিং প্রশাসনের বরাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এর আগে ছয় দশকেরও বেশি সময় নিয়মিত বেড়েছে দেশটির জনসংখ্যা। তবে ইদানীং জনসংখ্যায় নিম্নগতির কারণে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে বয়স্কের সংখ্যা বাড়ছে , জানায় প্রশাসন। এ পরিস্থিতিতে জন্মহার বাড়াতে বেইজিং ভর্তুকি এবং প্রজনন সহায়ক প্রচারণা চালাচ্ছে। এএফপি জানায়, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশের তালিকায় দীর্ঘদিন শীর্ষ স্থান দখলে রাখলেও ২০২৩ সালে ভারতের পেছনে পড়ে চীন। ২০২৪ সালের শেষে চীনের জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১.৪০৮ বিলিয়নে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ০.০০২ বিলিয়ন কম। এবার জনসংখ্যা হ্রাসের গতি গেল বছরের তুলনায় কিছুটা কম ছিল। তবে ২০২৩ সালে জনসংখ্যা হ্রাসের হার ২০২২ সালের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি ছিল। এর আগে ১৯৮০ সালে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রনের লক্ষ্যে ‘এক সন্তান নীতির’ ব্যাপক প্রচারণা চালায়। ২০১৬ সালে এসে এই নীতি প্রত্যাহার করে দেশটির প্রশাসন। তবে চার যুগের সাংস্কৃতিক অভ্যাসের কারণে জনসংখ্যার নিম্নগতি ঠেকানো সম্ভব হয়নি। জীবনযাত্রার ব্যয়, নারীদের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশে বাধা এবং উচ্চশিক্ষার প্রতি আগ্রহের কারণের দেশের জন্মহার কমছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এ ছাড়া অর্থনৈতিক মন্দা এবং নারীদের শ্রমবাজারে লিঙ্গবৈষম্যের কারণে জনসংখ্যা হ্রাসের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলেও ধারণা তাদের। দেশের এই সংকট মোকাবিলায় ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে কয়েকধাপে কর্মজীবনের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেইজিং সরকার। আগে দেশটিতে ৬০ বছর হলেই অবসর গ্রহণ করতে হতো কর্মীদের। সূত্র: এএফপি, বাসস। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: এএফপিসংস্থা