‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধনে কাল টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রকাশিত: ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করতে একদিনের সফরে মঙ্গলবার টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিন দেশের ১১ উপজেলায় একযোগে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং কৃষকের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন। এছাড়া জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করতে সন্তোষে যাবেন। সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। দলীয় সূত্র জানায়, ওই দিন শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজন করা হবে কৃষিমেলার। ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধনের পর স্টেডিয়ামে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন থাকবে। অনুষ্ঠানে দেশসেরা সংগীতশিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এই কার্ড বিতরণ করতে যাচ্ছে সরকার।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কৃষক কার্ড প্রণয়ন-সংক্রান্ত সেলের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন সাংবাদিকদের জানান, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরসহ দেশের ১১ উপজেলায় একযোগে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে এসব উপজেলার ২২ হাজার ৬৫ কৃষকের কাছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ সহায়তা পৌঁছে যাবে। তিনি বলেন, এই কার্ড কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের চাষি ও খামারিদের দেওয়া হবে। এটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কাজ করবে। শুধু ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র শ্রেণির কৃষককে কৃষি উপকরণ ক্রয়ের জন্য প্রণোদনা হিসেবে বছরে আড়াই হাজার টাকা দেওয়া হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সার, বীজ, কীটনাশক ও পশু খাদ্য ক্রয় করতে পারবেন। টাঙ্গাইল জেলা ছাড়াও অন্য জেলা ও উপজেলাগুলো হলো, পঞ্চগড়ের কমলাপুর ও বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকূপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লার আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ও মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলা। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য পরিচিতি নিশ্চিত করা যাবে। পাশাপাশি কৃষি ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা, বীজ ও সার বিতরণসহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তা আরো স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে। বৈঠকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিয়েও আলোচনা হয়। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল সফল করার জন্য সরকারি ও দলীয়ভাবে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানস্থর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষকদের উন্নয়নে ‘কৃষক কার্ড’ একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। পহেলা বৈশাখের মতো একটি দিনে টাঙ্গাইলের মাটিতে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হওয়ায় এটি জেলার মানুষের জন্য গর্ব ও আনন্দের বিষয়। মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কৃষকদের জন্য, মেহনতি মানুষের জন্য জমিদারদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। সেই মওলানা ভাসানীর ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মর্সূচির উদ্বোধন হবে, এটা অত্যন্ত গর্বের। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরাসরি ১৫ জন কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেবেন। SHARES সারা বাংলা বিষয়: অর্থ সহায়তাউদ্বোধনেকৃষক কার্ডডেবিট কার্ডপরিবেশনপ্রণয়ন-সংক্রান্তপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানমন্ত্রিপরিষদ বিভাগেমোবাইল ব্যাংকিংয়েরসিদ্ধান্ত