এআই প্রশিক্ষণে এক লাখের বেশি প্রার্থী, প্রতি আসনে ৬৪ জন প্রকাশিত: ৩:৫০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ দেশের তরুণদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে এক লাখের বেশি প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৬৪ জনের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশের ৬৪ জেলার নির্ধারিত কেন্দ্রে একযোগে এ লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে অংশ নেন এক লাখের বেশি প্রার্থী। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার তরুণদের এআই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশব্যাপী এআই প্রশিক্ষণের জন্য মোট এক লাখ তিন হাজার ৯৯৬টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে এক লাখ দুই হাজার ৯২৮টি আবেদন বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এসব আবেদনকারীর মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হচ্ছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪ জেলা থেকে প্রতি জেলায় ২৫ জন করে মোট এক হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে। ফলে বৈধ আবেদন বিবেচনায় প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৬৪ জনের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের আরেকটি ইউনিট সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা রাজধানী ঢাকায়। ঢাকা জেলার ২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৭ হাজার ৫৫২ জন। অর্থাৎ সেখানে প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৭০২ জন প্রার্থী রয়েছেন। পরীক্ষা চলাকালে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও ঢাকা জেলার উপপরিচালক এ কে এম শাহরিয়ার। তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবেশ, আসনব্যবস্থা ও প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত এক হাজার ৬০০ প্রশিক্ষণার্থীকে নিয়ে ১ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন জানান, দুই বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় মোট ১১ হাজার ২০০ তরুণ-তরুণীকে এআই প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে নয় হাজার ৬০০ জনকে বেসিক এবং এক হাজার ৬০০ জনকে অ্যাডভান্সড পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে মোট ৪৪৮টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। প্রতিটি প্রশিক্ষণের মেয়াদ দুই মাস। এ সময়ে ৫০টি ক্লাসে মোট ৩০০ ঘণ্টা পাঠদান করা হবে। প্রশিক্ষণে চ্যাটজিপিটি, কোপাইলট, ডিপসিক, জেমিনি, মিডজার্নি, রানওয়ে, সিন্থেশিয়া, ট্যাবলো, ক্লিকআপ ও অ্যাডোবি সেনসেইসহ বিভিন্ন আধুনিক এআই টুল ও প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। Download PhotoCard SHARES তথ্য প্রযুক্তি বিষয়: এআই প্রশিক্ষণে এক লাখের বেশি প্রার্থীপ্রতি আসনে ৬৪ জন
দেশের তরুণদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে এক লাখের বেশি প্রার্থী অংশ নিয়েছেন।
প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৬৪ জনের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশের ৬৪ জেলার নির্ধারিত কেন্দ্রে একযোগে এ লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়।
এতে অংশ নেন এক লাখের বেশি প্রার্থী। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বাস্তবায়নাধীন ‘তথ্যপ্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন যুবদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার তরুণদের এআই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশব্যাপী এআই প্রশিক্ষণের জন্য মোট এক লাখ তিন হাজার ৯৯৬টি আবেদন জমা পড়ে।
প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে এক লাখ দুই হাজার ৯২৮টি আবেদন বৈধ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এসব আবেদনকারীর মধ্য থেকে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থী বাছাই করা হচ্ছে। প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪ জেলা থেকে প্রতি জেলায় ২৫ জন করে মোট এক হাজার ৬০০ জন প্রশিক্ষণার্থী নেওয়া হবে। ফলে বৈধ আবেদন বিবেচনায় প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে ৬৪ জনের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী সপ্তাহেই হচ্ছে পুলিশের আরেকটি ইউনিট সবচেয়ে বেশি প্রতিযোগিতা রাজধানী ঢাকায়। ঢাকা জেলার ২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৭ হাজার ৫৫২ জন। অর্থাৎ সেখানে প্রতি আসনের বিপরীতে গড়ে প্রায় ৭০২ জন প্রার্থী রয়েছেন। পরীক্ষা চলাকালে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও ঢাকা জেলার উপপরিচালক এ কে এম শাহরিয়ার। তারা পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবেশ, আসনব্যবস্থা ও প্রশ্নপত্র ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা আগামীকাল ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত এক হাজার ৬০০ প্রশিক্ষণার্থীকে নিয়ে ১ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন জানান, দুই বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের আওতায় মোট ১১ হাজার ২০০ তরুণ-তরুণীকে এআই প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে নয় হাজার ৬০০ জনকে বেসিক এবং এক হাজার ৬০০ জনকে অ্যাডভান্সড পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রতি ব্যাচে ২৫ জন করে মোট ৪৪৮টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। প্রতিটি প্রশিক্ষণের মেয়াদ দুই মাস। এ সময়ে ৫০টি ক্লাসে মোট ৩০০ ঘণ্টা পাঠদান করা হবে। প্রশিক্ষণে চ্যাটজিপিটি, কোপাইলট, ডিপসিক, জেমিনি, মিডজার্নি, রানওয়ে, সিন্থেশিয়া, ট্যাবলো, ক্লিকআপ ও অ্যাডোবি সেনসেইসহ বিভিন্ন আধুনিক এআই টুল ও প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারিক শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।