রাত পোহালেই বিপিএল উৎসব

প্রকাশিত: ৯:২৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজ সাজ সাজ রব, বিশাল কর্মযজ্ঞ চলেছে দিনব্যাপী। মিডিয়া সেন্টারের প্রথম তলার বারান্দার রেলিং সেজেছে বর্ণিল ডিজাইনে। মিডিয়া প্লাজার সামনে কর্মীদের ব্যস্ততা ছিল চোখে পড়ার মতো। স্পন্সরদের ব্যানার বানানোর কাজ চলেছে সমানে। মাঠের ইস্ট গ্যালারিতে দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর বসেছে জায়ান্ট স্ক্রিন। বাউন্ডারির চারপাশে বসেছে আলোকোজ্জ্বল ডিজিটাল বিজ্ঞাপনী বোর্ড। মিরপুর স্টেডিয়াম আজ সারাদিনই ব্যস্ত ছিল ক্রিকেটার আর সংবাদকর্মীদের পদচারণায় মুখর। এই সব আয়োজন আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) একাদশতম আসরকে ঘিরে।

যদিও আজকে দিনের শুরুটা একদমই প্রীতিকর ছিল না মিরপুরে। বিপিএলের টিকেট প্রত্যাশী প্রায় দুই শতাধিক দর্শকর ভোর থেকেই ভিড় জমান স্টেডিয়ামের সামনে। টুর্নামেন্টের একদিন আগেও তারা জানতেন না কোথা থেকে কীভাবে টিকেট সংগ্রহ করবেন। এ নিয়ে বেশ উত্তালই ছিল মিরপুর স্টেডিয়ামের এক নম্বর ও দুই নম্বর গেট।

স্টেডিয়ামের টিকেট বুথের সামনে অপেক্ষা করতে করতে এক পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন টিকেট নিতে আসা দর্শকরা। ক্ষিপ্ত দর্শকদের একটা অংশ ঢুকে যান দুই নম্বর গেটের ফটক দিয়ে। পুলিশের সাথে নিরাপত্তাকর্মীদের বাধার মুখে অবশ্য ছত্রভঙ্গ হন তারা। তবুও দমে না গিয়ে তারা ধাক্কাতে থাকেন গেটে।

পরে অবশ্য বিসিবির মিডিয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়, অনলাইনে বিসিবির ওয়েবসাইট ও মধুমতি ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু ব্রাঞ্চ থেকে টিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন দর্শকরা। বিসিবির এই ঘোষণার পরই শান্ত হয় পরিস্থিতি। ঠিকমতো টিকেট সংশ্লিষ্ট তথ্য দিতে না পারার জন্য আজ বিপিএলের ড্রিংকিং পার্টনার ঘোষণার সংবাদ সম্মেলনে দুঃখ প্রকাশ করেন বিসিবি পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিম।

তবে ক্রিকেটারদের ওপর এসবের প্রভাব পড়েনি। বিসিবি একাডেমি মাঠে দলগুলো অনুশীলন চালিয়ে গেছে নির্বিঘ্নেই। সংবাদ সম্মেলন কক্ষও আজ দেখেছে ব্যস্ত এক দিন। একে একে হয়েছে সাত দলের আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন। কোনো দলের হয়ে কথা বলতে এসেছিলেন অধিনায়ক আবার কোনো দলের কোচ।