রুকু-সিজদায় কতবার তাসবিহ পড়তে হবে?

প্রকাশিত: ৫:৫২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২৫

রুকু-সিজদায় কমপক্ষে তিন তিনবার তাসবিহ পড়া সুন্নত, পাঁচবার বা সাতবারও পড়া যায়। ইচ্ছা করে তিনবারের কম পড়া অনুচিত। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত আল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, তোমাদের কেউ যখন রুকু করে তখন সে যেন তিনবার ‘সুবাহানা রাবিবয়াল আযীম’ বলে এবং যখন সিজদা করে তখন যেন তিনবার ‘সুবহানা রাবিবয়াল আ’লা’ বলে। যখন সে এভাবে তিনবার করে তাসবিহ পড়বে, তখন তার রুকু ও সিজদা পূর্ণ হবে। আর এটি হল তাসবিহ আদায়ের সর্বনিম্ন পরিমাণ। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা)

তিনবার তাসবিহ পড়া যেহেতু ফরজ বা ওয়াজিব নয়, তাই তিনবার তাসবিহের কম পড়লেও নামাজ আদায় হয়ে যাবে। রুকু ও সিজদায় কেউ ভুল করে বা ইচ্ছাকৃত একবার বা দুবার তাসবিহ পড়লেও নামাজ বাতিল হবে না বা সাহু সিজদাও ওয়াজিব হবে না।

তবে নামাজে তাড়াহুড়া করা কোনোভাবেই উচিত নয়। রুকু ও সিজদাসহ নামাজের প্রতিটি রোকনে গিয়ে স্থির হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করা ফরজ। কেউ যদি তাড়াহুড়া করতে গিয়ে নামাজের রোকনগুলোয় গিয়ে ঠিক মতো স্থীরও না হয়, তাহলে নামাজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) একদিন মসজিদে ঢুকলেন, তখন একজন সাহাবি এসে নামাজ আদায় করলেন। তারপর তিনি এসে নবিজিকে (সা.) সালাম করলেন। নবিজি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, আবার গিয়ে নামাজ আদায় করুন, আপনি নামাজ আদায় করেননি।

সাহাবি ফিরে গিয়ে আগের মত নামাজ আদায় করে আবার নবিজিকে (সা.) সালাম করলেন। নবিজি আবার বললেন, ফিরে গিয়ে নামাজ আদায় করুন, আপনি নামাজ আদায় করেননি।

এভাবে তিনবার তিনি তাকে ফিরে গিয়ে নামাজ আদায় করতে বললেন।

সাহাবি বললেন, সেই মহান সত্তার শপথ! যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন, আমি তো এর চেয়ে সুন্দর করে নামাজ আদায় করতে পারি না। আপনি আমাকে শিখিয়ে দিন।