তাইওয়ান সংঘাতও চায় না, তবে সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গে আপস নয় প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ, মে ১৮, ২০২৬ চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যেই দ্বীপটির প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ‘তাইওয়ান কোনো সংঘাত উসকে দিতে চায় না, তবে নিজেদের সার্বভৌমত্ব থেকেও সরে আসবে না।’ আজ সোমবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। চীনা রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, ‘তাইওয়ান প্রশ্নই দুই দেশের সম্পর্কের “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়” এবং এটি ভুলভাবে পরিচালিত হলে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’ বৈঠকের পর ট্রাম্পও তাইওয়ানকে উদ্দেশ করে সতর্কবার্তা দেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে স্বাধীন হয়ে যেতে দেখতে চাই না।’ যদিও ট্রাম্প একই সঙ্গে জানান, তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে কোনও পরিবর্তন আসেনি এবং তিনি বেইজিংয়ের সঙ্গে সংঘাত চান না। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘শি জিনপিং তাইওয়ান প্রসঙ্গে “খুবই দৃঢ় অবস্থান” নিয়েছিলেন, তবে তিনি কোনও পক্ষেই প্রতিশ্রুতি দেননি।’ তাইওয়ান দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র। মার্কিন আইনে দ্বীপটিকে আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এবং তার পূর্বসূরি সাই ইং-ওয়েন বহুদিন ধরেই বলে আসছেন, তাইওয়ানকে আলাদা করে স্বাধীনতা ঘোষণা করার প্রয়োজন নেই, কারণ তারা নিজেদের আগেই একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করে। শীর্ষ বৈঠকের পর প্রথমবার সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাই চিং-তে লেখেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতা বলে কোনও আলাদা ইস্যু নেই। তাইওয়ান ইতোমধ্যেই নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও সার্বভৌম পরিচয় নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অন্যতম স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে উঠেছে তাইওয়ান। বেইজিং দ্বীপটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করলেও তাইওয়ানের বর্তমান প্রশাসন নিজেদের স্বাধীন পরিচয় বজায় রাখার পক্ষেই অনড় অবস্থানে রয়েছে। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংতবে সার্বভৌমত্বের প্রসঙ্গে আপস নয়তাইওয়ান সংঘাতও চায় নাদ্বীপটির প্রেসিডেন্ট লাই চিংনিজেদের সার্বভৌমত্ব থেকেও সরে আসবে না