সব রেকর্ড ভাঙছে ২০২৬ বিশ্বকাপ! ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম ঘটতে যাচ্ছে যা কিছু

প্রকাশিত: ৪:১৭ অপরাহ্ণ, জুন ৮, ২০২৬

আগামী ১১ জুন (বাংলাদেশ সময় ১২ জুন) উত্তর আমেরিকায় পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের বৃহত্তম ও সবচেয়ে ব্যতিক্রমী বিশ্বকাপের। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এই আসরটি আগের সব সংস্করণের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা হতে যাচ্ছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এই মেগা ইভেন্টের ৫টি মূল বৈশিষ্ট্য পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো

৪৮ দলের নতুন রূপরেখা: কাতার বিশ্বকাপের ৩২ দলের প্রথা ভেঙে এবারই প্রথম ৪৮টি দেশ অংশ নিচ্ছে। ফলে ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০৪টিতে এবং টুর্নামেন্টের স্থায়িত্ব হবে ৩৯ দিন।

তিন দেশের যৌথ আয়োজন: ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম ছেলেদের বিশ্বকাপ যৌথভাবে তিনটি দেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ১৬টি আয়োজক শহরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে নকআউটের সিংহভাগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

ইতিহাসের পাতায় এজটেকা স্টেডিয়াম: মেক্সিকো সিটির বিখ্যাত এজটেকা স্টেডিয়াম বিশ্বের প্রথম ভেন্যু হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। ১৯৭০ সালে পেলে ও ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ জয়ের এই ঐতিহাসিক ভেন্যুতেই বসবে উদ্বোধনী আসর।

ভয়ানক গরমের শঙ্কা: জুন-জুলাইয়ের তীব্র তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা এবার খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ। ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’ (WWA)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ বিপজ্জনক গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিফা বিশেষ কুলিং ব্রেকের কথা ভাবলেও বিশেষজ্ঞরা একে অপর্যাপ্ত বলছেন।

ফাইনালে ‘সুপার বোল’ স্টাইল বিনোদন: আমেরিকার জনপ্রিয় ‘সুপার বোল’-এর আদলে এবার বিশ্বকাপের ফাইনালের হাফ-টাইমে (মধ্যবর্তী বিরতি) জমকালো লাইভ কনসার্টের ব্যবস্থা করছে ফিফা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের এই ফাইনালে শাকিরা, ম্যাডোনা এবং দক্ষিণ কোরিয়ান ব্যান্ড বিটিএস (BTS) মাঠ কাঁপাবেন বলে নিশ্চিত করেছে সংস্থাটি।