‘অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে’ প্রকাশিত: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৬, ২০২৪ দেশে অনিবন্ধিত ও অবৈধভাবে পরিচালিত অনলাইন নিউজ পোর্টল বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। গণমাধ্যম স্বাধীন ও মুক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, কিছু অবৈধ ও অনিবন্ধিত অনলাইনের কারণে কিছুটা বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। সেজন্য আপনারাই বলছেন এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে। আমরা এ দাবি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেব। মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওনাব) কার্যনির্বাহী সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘গণমাধ্যম মুক্ত ও স্বাীধন যেকোনো ভাবেই চলতে পারে। সেটার প্রমাণ হচ্ছে সরকার কারও ওপরেই নিয়ন্ত্রণ করে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। তবে কিছু কিছু অনিবন্ধিত অনলাইন সংবাদপত্র এখন সীমা অতিক্রম করে গেছে। সেজন্য বিশঙ্খল হচ্ছে। এখানে শৃঙ্খলা আনা দরকার। অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল চটকদার নিউজ করে। আমরা যারা পেশাদারিত্বে রয়েছি ওই সব নিউজ তাদের হার্ট করে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না। এটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অংশ। গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।’ প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করি না। আমরা মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাস করি। দেশে ৪২৬টি নিবন্ধিত অনলাইন রয়েছে। এরমধ্যে ২১৩ মূল ধারার অর্থাৎ যারা সংবাদপত্রও টিভির অনলাইন। বাকিগুলো সরাসরি অনলাইন হিসেবেই কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অবৈধভাবে কোনো কিছু সঠিক না। সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেব। আপনারা বলছেন অবৈধ অনলাইন বন্ধ করতে। উচ্চ আদালতের রায় রয়েছে। আপনাদের দাবি পূরনের জন্য পদক্ষেপ নেব।’ সরকারের ভুলক্রুটি ধরিয়ে দিতেও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। তিনি বলেন, ‘এতে করে আমাদের ভুল শুধরে নেওয়ার সুযোগ হবে।’ বৈঠকে অনলাইন পোর্টালে সরকারি বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা (সাংবাদিক) বলছেন নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সরকার যে নজরদারি বা নিয়ন্ত্রণ করে না, বরং আপনারাই বলছেন কিছুটা দরকার ডিসিপ্লিনের (শৃঙ্খলা) জন্য। অর্থাৎ নিবন্ধন প্রক্রিয়ার বাইরেও অনেকে অনলাইন সংবাদমাধ্যম পরিচালনা করছেন। এখানে গণমাধ্যম এতোটাই মুক্ত, উন্মুক্ত এবং স্বাধীন যে নিবন্ধন ছাড়াও চলতে পারে এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের কথা পেশাগত সাংবাদিকরাই বলছেন—এটা করা দরকার।’ ‘কিন্তু আমরা এগুলো করি না। যেটা প্রমাণ করে— প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার সংবাদমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে, একইসাথে আমি মনে করি, এটা মুক্ত না, উন্মুক্ত। স্বাধীনতা এমন পর্যায়ে চলে গেছে, যেটা লিমিটলেস (সীমাহীন)। যে কারণে কিছুটা ডিসিপ্লিনের অভাবও হয়ে গেছে,’ যোগ করেন তিনি। SHARES জাতীয় বিষয়: অনিবন্ধিতনিউজপোর্টল