‘বয়কট’ করা তরমুজ প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৪, ২০২৪ রমজানের আগেই শুরু হয়েছিল তরমুজের মৌসুম। আর শুরু থেকেই তা বিক্রি হচ্ছিল উচ্চমূল্যে। রোজার মাসে তরমুজের চাহিদা থাকায় দাম উঠে যায় আরও ওপরে। এসময় সাধারণ ক্রেতারা তরমুজ ‘বয়কট’ করার আহ্ববান জানান। বৃষ্টি হয়ে তাপমাত্রা কমে আসায় এর চাহিদাও কমে। ফলে কমতে শুরু করে তরমুজের দাম। বাংলাদেশ এগ্রি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফা) উদ্যোগে ‘কৃষকের পণ্য, কৃষকের দামে’ স্লোগান নিয়ে রাজধানীর পাঁচ স্থানে ন্যায্য মূল্যে তরমুজ বিক্রি শুরু করলে তরমুজ সস্তা হয়ে ওঠে বাজারে। কিন্তু তরমুজ ‘বয়কট’ করার এক মাস না পেরোতেই দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র তাপদাহ। চলমান এই তাপদাহের সুযোগেই তরমুজের দাম বিভিন্ন অযুহাতে বাড়িয়ে দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা আবার আগের মতো অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রি করছেন। তারা রোজার আগের সময়ের মতো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করছেন ৬০ থেকে ১২০ টাকায়। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাজধানীর পুরানা পল্টন, ফার্মগেট ও মিরপুর ৬ নম্বর এলাকা ঘুরে দেখা যায় অতিরিক্ত দামে তরমুজ বিক্রির এই চিত্র। পুরানা পল্টন মোড়ের কিছুটা সামনের এক রাস্তায় (আজাদ প্রোডাক্টসের গলি) রয়েছে বেশ কয়েকটি ফলের দোকান। দোকানগুলোতে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। মাঝারি আকারের তরমুজের দাম জিজ্ঞেস করলে তারা দাম চান ৪০০ টাকা। ওজন দিয়ে দেখতে চাইলে দেখা যায় ওই তরমুজের ওজন ৫ কেজি থেকে সামান্য বেশি। এক্ষেত্রে কেজি হয় ৮০ টাকা। তবে বিক্রেতারা জানান, তারা কেজি হিসেবে নয়, বিক্রি করেন পিস হিসেবে। অন্যান্য ফলের দোকানে গিয়েও দেখা যায় একই চিত্র। তারাও প্রায় একই আকারের তরমুজ বিক্রি করছেন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তরমুজের দাম কেন হঠাৎ বেড়ে গেল জানতে চাইলে এক বিক্রেতা বলেন, তরমুজের সিজন শেষের দিকে। তাই দাম এখন বেশি। আর এই তরমুজ মিষ্টি হবে, গ্যারান্টি। আরেক বিক্রেতা বলেন, এগুলো খুলনার তরমুজ। খুলনার তরমুজের দাম এমনিতেই বেশি হয়। এই এলাকার সব দোকানে তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি হলেও এক দোকানে গিয়ে দেখা যায় তারা কেজি দরে বিক্রি করছেন। কত করে কেজি জানতে চাইলে তারা জানান প্রতি কেজি ১২০ টাকা। তার দোকানে থাকা তরমুজের ওজন সব ৫ কেজির ওপরে। এক্ষেত্রে ৫ কেজি ওজনের একটি তরমুজের দাম পড়ে ৬০০ টাকা। আশেপাশের দোকানে একই ওজনের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তার দোকানে দাম এতো বেশি থাকার কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, আমাদের এখানে সব ফলই ফ্রেশ। কোনও খারাপ মাল আমরা রাখি না। ভালো জিনিস খেতে হলে তো দাম বেশিই দিতে হয়। এদিকে ফার্মগেট এলাকার তেজগাঁও কলেজের সামনের ফলের দোকানে গিয়ে দেখা যায় তারা কেজি দরে বিক্রি করছেন তরমুজ। প্রতি কেজি ৬০ টাকা করে দাম হাঁকছেন এখানকার ব্যবসায়ীরা। SHARES জাতীয় বিষয়: চাহিদাবিক্রি