মধুখালী হত্যা: চেয়ারম্যান তপনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ঝাঁপি প্রকাশিত: ১২:৫৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ২৭, ২০২৪ ফরিদপুরের মধুখালীতে দুই শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আলোচনায় আসা ডুমাইন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. আসাদুজ্জামান তপন আগে থেকেই নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত। দখল, চাঁদাবাজিতে তার নাম এসেছে বারবার। ভুক্তভোগীরা বলছেন, এলাকায় নিজস্ব একটি বলয় আছে তার। তাদেরকে দিয়েই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন নিয়ন্ত্রণ। দখলবাজিতে কেউ প্রতিবাদ করলেই চালাতেন নির্যাতন। সালিশ করেও টাকা আদায়ের অভিযোগ মিলেছে তপনের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালের ৪ মে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পে বাধা ও ইউএনওকে মারধরের ঘটনায় বরখাস্তও হয়েছিলেন। পরে উচ্চ আদালতের আদেশে ফিরে পান পদ। গত ১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নের পঞ্চপল্লী গ্রামের একটি কালী মন্দিরে আগুন লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবস্থানরত নির্মাণ শ্রমিকদের ওপর হামলা হয়। স্কুলের টয়লেট নির্মাণের কাজ চলছিল। সেজন্য শ্রমিকরা সেখানে ছিলেন। সেখানে পিটুনিতে দুই শ্রমিকের প্রাণ যায়। তারা হলেন, উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ঘোপেরঘাট গ্রামের ২১ বছর বয়সী আশরাফুল ও তার ভাই ১৫ বছর বয়সী আশাদুল। এ ঘটনায় আহত আরও পাঁচ শ্রমিক চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শ্রমিকদের পিটিয়ে হত্যার একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মধ্যে ঘটনার আট দিনের মাথায় শুক্রবার ফরিদপুরের ডিসি কামরুল আহসান তালুকদার সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, এই ঘটনায় চেয়ারম্যান তপন ও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য অজিত বিশ্বাসের সম্পৃক্ততার ‘যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে ‘। তাদেরকে ধরিয়ে দিতে সহযোগিতা করলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও এসেছে। SHARES জাতীয় বিষয়: তপনপ্রতিষ্ঠা