‘খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুর মিছিলে শামিল হয়েছেন’

প্রকাশিত: ৫:০১ অপরাহ্ণ, মে ৪, ২০২৪

‘জেলে কোনও রাজবন্দি নেই’, সরকার পক্ষের এমন বক্তব্যের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের সময় আপনারা কি চোর হয়ে সেদিন জেলে গিয়েছিলেন? না, রাজবন্দি হয়ে জেলে গিয়েছিলেন, আমি জানতে চাই। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুর মিছিলে শামিল হয়েছেন এখন। আল্লাহই জানেন, কয়দিন পরে তার কী হয়।’

শনিবার (৪ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশিদ হাবিব মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিবের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন— বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, দলের প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি জহির উদ্দিন তুহিন।

সাবেক গর্ভনর ফরাসউদ্দিন আহমেদের বক্তব্য তুলে ধরে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘‘কী বিচিত্র বাংলাদেশ। ‘একশ টাকার জন্য চোরের হাত বেঁধে রাখেন, এক হাজার কোটি টাকা যারা চুরি করেন, তাদেরকে স্যালুট দেন’। এই তো বাংলাদেশ। আজকে বাংলাদেশের কঅ করুন অবস্থা। এটা বিশ্বের সবাই জানে— বাংলাদেশ কী দুরবস্থার ভেতরে আছে। আর তার চেয়ে বেশি জানে বিএনপি নেতাকর্মীরা, তারা কী অবস্থায় আছে।’’

প্রতি দিন আমার বাসায় ৫০ থেকে ১০০ জন অভিভাবক, স্ত্রী- সন্তান আসে, এমনটা জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, ‘কেউ বলে আমার বাবা জেলে, কেউ বলে আমার স্বামী জেলে, কেউ বলে আমার ছেলে জেলে, কেউ বলে আমার ভাই জেলে। কত জনের জন্য কথা বলবো, আর কত জনের জন্য সান্ত্বনা দেবো।’ এই দেশ স্বাধীন করেছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান— এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস। তার দল বিএনপি’র যে নেত্রী, খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুর মিছিলে শামিল হয়েছেন এখন। আল্লাহই জানেন, কয়দিন পরে তার কী হয়। তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দেওয়া হচ্ছে না।’