জুন নাগাদ আয়কর রিটার্ন বাড়বে ১৫ লাখ

প্রকাশিত: ১:০৮ অপরাহ্ণ, মে ৫, ২০২৪

গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে (জুন মাস) দেশে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ বৃদ্ধি পাবে। ফলে বছর শেষে মোট রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা হবে ৪৫ লাখ। এ সময়ে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারীর (টিআইএন) সংখ্যা বাড়বে বলেও মনে করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এনবিআরের এক প্রতিবেদনে এমন প্রত্যাশার কথা জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, দেশের কর-জিডিপির অনুপাত অন্যান্য উন্নয়নশীল ও উন্নত দেশের মতো আশাব্যঞ্জক নয়। উন্নত দেশের সোপানে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এ অনুপাত আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এ তাগিদ থেকেই উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন মডেল অনুসরণ করে ব্যক্তি পর্যায়ে নতুন করদাতার মাধ্যমে করজাল সম্প্রসারণের লক্ষ্যে টিআরপি বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। তাছাড়া ই-রিটার্ন প্ল্যাটফর্মে আয়কর রিটার্ন দাখিল সহজ হওয়ায় চলতি অর্থবছর টিআইএনধারীর পাশাপাশি রিটার্ন দাখিলের সংখ্যাও বাড়বে। আশা করা যাচ্ছে, চলতি বছর এ সংখ্যা ৪৫ লাখে উন্নীত হবে। গত অর্থবছর শেষে যা ছিল প্রায় ৩০ লাখ।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে হোটেল আমারিতে এক অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের টিআইএনধারীর সংখ্যা ছিল ৬০ লাখ। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ। একই অর্থবছরে আয়কর রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ। চলতি অর্থবছরের মার্চ মাস শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৯ লাখে। অর্থবছর শেষে সেটি আরও বাড়বে। কারণ চলতি বাজেটে ৪৩টি সরকারি সেবার ক্ষেত্রে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই চলতি অর্থবছর নতুন করে প্রায় ৩০ লাখ লোক টিআইএন নিয়েছেন। এরা সবাই রিটার্ন দাখিল করবেন। অর্থাৎ কয়েক বছরের ব্যবধানের এসব ক্ষেত্রে বেশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। করজাল সম্প্রসারণে এনবিআর যেসব উদ্যোগ নিয়েছিল তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে।