চা-চাষিদের লাভের টাকা গিলছেন কারখানা মালিকরা?

প্রকাশিত: ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২৪

পঞ্চগড়ে চা-চাষিদের সঙ্গে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে কারখানা মালিকদের বিরুদ্ধে। ‘পার্সেন্টেজ কর্তন’ নামে স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হয়ে অর্ধেক চা পাতার মূল্য হারাচ্ছেন চাষিরা। এতে লাভের চেয়ে লোকসান গুনে দিশেহারা প্রান্তিক চা-চাষিরা। এতে চা চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা।   

অভিযোগ করা হচ্ছে, কারখানাগুলো ইচ্ছেমত ৩০-৪০% পর্যন্ত ‘পার্সেন্টেজ’ কেটে রেখে পাতা কিনছে। এতে ৬০-৭০ ভাগ পাতার দাম পাচ্ছেন চাষিরা।

এদিকে চা উৎপাদনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চা অঞ্চল পঞ্চগড়ে কয়েক বছরের রেকর্ড চা উৎপাদন হয়েছে। তবুও চা-চাষিদের মুখে হাসি ফুটছে না। তারা প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে গুনতে দিশেহারা। সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে ‘পার্সেন্টেজ কর্তন’ এর মতো
স্বেচ্ছাচারিতার শিকার হচ্ছেন চাষিরা। এসব অভিযোগের তীর কারখানা মালিকদের বিরুদ্ধে। সেখানে  কারখানা মালিকদের কাছে নিজেদের জিম্মি মনে করছেন চা-চাষিরা। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন কারণে কারখানায় পাতা বিক্রি করতে বাধ্য হতে হচ্ছে চাষিদের। সমতলের চায়ের ভরা মৌসুম মে থেকে জুলাই। তবে এপ্রিল থেকে থেকেই শুরু হয় পাতা কাটা। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকে পাতা উত্তোলন। এ সময়টা চাষিরা চা বাগানের পরিচর্যা করে চা পাতা উত্তোলনের উপযোগী করে তুলেন। মৌসুমের শুরুতে চা পাতা নিতে কারখানাগুলো পাতার দাম বাড়িয়ে পরে সিন্ডিকেট তৈরি করে দাম কমিয়ে দেন। চা পাতার চাপ বাড়ানোর জন্য একেক দিন একেক কারখানা বন্ধ রেখে কমিয়ে দেওয়া হয় দাম।