ধানের দাম বেশি হলেও সার-কীটনাশকে মার খাচ্ছেন চাষিরা

প্রকাশিত: ৩:৫৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২৪

গত বোরো মৌসুমের চেয়ে এবারের বোরো মৌসুমে ধানের দাম বেশি হওয়ার পরও সার কীটনাশকের দাম ও সেচ খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকেরা লোকসানের মুখে পড়েছেন। বোরো ধান চাষ করে বড় লোকসানের মুখে পড়েছেন চুক্তি নিয়ে জমি চাষ করা কৃষকেরা।

তবে এবার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা ধান শুকিয়ে ভালো দামের আশায় মজুত করে রেখেছেন। এতে করে ধানের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তবে ধানের দাম এখনো আমন মৌসুমের চেয়ে অনেক কম বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো. আনিছুজ্জামান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে এবার জেলায় ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। যা গতবারের চেয়ে ১ হাজার ৪২০ হেক্টর বেশি। গত মৌসুমে হেক্টর প্রতি গড় উৎপাদন ছিল ৪ দশমিক ৫৪ মেট্রিক টন। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে হেক্টর প্রতি ৪ দশমিক ৫৯ মেট্রিক টন। এবার চালের হিসাবে জেলায় উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ২ হাজার মেট্রিক টন চাল।

তবে কৃষকরা বলছেন, প্রচণ্ড খরায় সেচ বেশি লাগায় ও বালাইনাশকসহ এবার বিভিন্ন কারণে খরচ বেশি হয়েছে। তবে গত বোরো মৌসুমের চেয়ে এবার ধান বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু আমন মৌসুমের চেয়ে কম।খবর নিয়ে জানা গেছে, আমবাড়ী হাটে শুক্রবার (১২ জুলাই) ব্রি-৯০ জাতের শুকনা ধান ৭৬ কেজির বস্তা বিক্রি হয়েছে ২৬০০ থেকে ২৮০০ টাকা, ভারতীয় সম্পা জাতের কাটারি ২২০০ ও বগুড়ার সম্পা জাতের কাটারি ধান বিক্রি হয়েছে থেকে ২৬০০ টাকা পর্যন্ত। আর ব্রি-২৮, ব্রি-২৯ ও মিনিকেট ধান বিক্রি হয়েছে ২৬০০ থেকে ২৭০০ টাকা পর্যন্ত। তবে কাঁচা ধান বিক্রি হয়েছিল প্রকার ভেদে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কম দামে।

গত বোরো মৌসুমে ব্রি-৯০ জিরা কাঁচা ধান ১৭০০ থেকে ১৯০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। অন্যান্য ধানের দামও ছিল কম। মাঝে আমন মৌসুমে ব্রি-৯০ জিরা ধান বিক্রি হয়েছিল কাঁচা ৪২০০ টাকা, আর শুকনা বিক্রি হয়েছিল ৫২০০ টাকা পর্যন্ত।