চিকিৎসা ব্যয়ের ৭৩% খরচই নিজের, অর্ধেকের বেশি যায় ওষুধে প্রকাশিত: ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২৪ কম সরকারি বরাদ্দ এবং সেই বরাদ্দও সঠিকভাবে কার্যকর না হওয়ায় চিকিৎসা ব্যয়ের সিংহ ভাগই মানুষকে খরচ করতে হয় নিজের পকেট থেকে। বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক গবেষণার তথ্য বলছে, খরচের ৭৩ শতাংশই রোগী বা তার পরিবারের নিজেদেরই বহন করতে হয়। আর এই চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যায়, যা মোট জনসংখ্যার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এদিকে চিকিৎসা খাতের যে ব্যয় তার অর্ধেকের বেশি খরচ হয় ওষুধের পেছনে। এক চতুর্থাংশেরও বেশি খরচ হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষায়। বিআইডিএসের তথ্য বলছে, চিকিৎসা ব্যয়ের ৫৪ দশমিক ৪০ শতাংশই খরচ হয় ওষুধ কিনতে গিয়ে। ডায়াগনসিস বা রোগ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষায় খরচ হয় আরও ২৭ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর বাইরে কনসালটেশন বা চিকিৎসা পরামর্শের পেছনে চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং পরিবহণের পেছনে খরচ হয় ৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ অর্থ। বিআইডিএসের এক সেমিনারে এক গবেষণাপত্রের বরাতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সোমবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএস সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএস মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেন। সেমিনারে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন সংস্থাটির রিসার্স ফেলো ড. আব্দুর রাজ্জাক সরকার। প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। গবেষণাপত্রের তথ্য তুলে ধরে ড. আব্দুর রাজ্জাক সরকার বলেন, ১৯৯৭ সালে চিকিৎসার পেছনে মানুষের পকেট থেকে খরচ হতো ৫৫ দশমিক ৯ শতাংশ অর্থ। ২০২০ সালে সেটি বেড়ে হয় ৬৮ শতাংশ, সর্বশেষ ২০২১ সালের হিসাবে সেটি আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ শতাংশে। সে হিসাবে ২৭ বছরের ব্যবধানে চিকিৎসা খাতে মানুষের পকেট থেকে তথা নিজস্ব ব্যয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৫৯ শতাংশ। SHARES জাতীয় বিষয়: ডায়াগনসিসরাজধানীর