কর্মচাঞ্চল্য বাড়লেও সেবাগ্রহিতা কমেছে সচিবালয়ে

প্রকাশিত: ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২৪

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট উদ্ভট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২০ জুলাই রাত থেকে সারাদেশে কারফিউ জারি করে সরকার। এ রকম পরিস্থিতিতে ২১, ২২ ও ২৩ তারিখ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার।  পরে ৭২ ঘন্টা সাধারণ ছুটির পর গত বুধবার সরকারি-বেসরকারি অফিস চার ঘন্টার জন্য খুলে দেওয়া হয়।  এদিন প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে প্রবেশে ব্যাপক তল্লাশি করতে দেখা যায়। এরপর রোববার থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসের নতুন সময়সূচি ঘোষণা করে সরকার।  দ্বিতীয় দফায় নতুন অফিস সময়সূচির তৃতীয় দিন আজ।

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংস নাশকতার পর সচিবালয়ের পরিস্থিতি  সরেজমিনে দেখা যায়, আগের মতোই কর্মচাঞ্চল্য সচিবালয় ও এর আশেপাশের এলাকায়। দেখে বুঝার উপায় নেই গত সপ্তাহে রাজধানী ঢাকায় কী তাণ্ডব  ঘটেছে। আন্দোলন ঘিরে যে সহিংস তাণ্ডব ঢাকায় ঘটেছে এর কোন প্রভাব নেই সচিবালয়ে। কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিয়মিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস করছেন।  কারফিউ শিথিলের সময় অফিস চললেও কর্মব্যস্ততা কোন অংশে কমেনি।  আগের মতোই কর্মচাঞ্চল্য দেখা গেছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়  ও বিভাগে। সহিংস নাশকতার কারণে বরং আগের চেয়ে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে কোন কোন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বাংলা ইনসাইডারকে বলেন,  অফিস খোলার প্রথম দিন অর্থাৎ গত বুধবারই মন্ত্রণালয়ের উপস্থিতি শতভাগ ছিল। মন্ত্রণালয়ের একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ছিল সেটি যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং  চলমান রয়েছে।

তবে সচিবালয়ে কর্মব্যস্ততা বাড়লেও সেবাগ্রহিতার হার কমেছে। সচিবালয়ের দর্শনার্থীদের প্রবেশ গেট, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাধারণ ছুটি শেষে তুলনামূলক ভাবে সেবাগ্রহিতার সংখ্যা কমেছে। সচিবালয়ের বাইরে, পাসের জন্য ওটিপির অপেক্ষায় থাকা মানুষের সংখ্যা খুবই নগন্য। যে সমস্ত জায়গায় সাধারণ দর্শনার্থীদের  ভিড় লেগে থাকতো সেখানে এখন পুরোপুরি ফাঁকা। তবে নিরাপাত্তার কথা বিবেচনা করে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে আজ সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ১১ ঘন্টা কারফিউ শিথিল রয়েছে।