বনানী কবরস্থানে সমাহিত হবেন জুয়েল প্রকাশিত: ৪:০৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ৩০, ২০২৪ রাজধানীর বনানী কবরস্থানে সমাহিত হবেন সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল। ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গায়কের মেজ ভাই মহিবুর রেজা রুবেল। তিনি বলেন, ‘বাদ আসর ভাইয়ার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে গুলশানের আজাদ মসজিদে। তারপর তাঁকে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে আনা হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁর দাফন হবে। বন্ধু, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জানাজায় অংশ নেবেন।’ ২০১১ সালে লিভার ক্যানসার ধরা পড়ে জুয়েলের। দীর্ঘ ১৩ বছর এই মরণব্যাধির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে অবশেষে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন তিনি। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন গায়ক। তাঁর মৃত্যুতে সংগীতাঙ্গনে শোকের ছায়া বিরাজ করছে। জুয়েলের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মুলাদী। ১৯৬৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেখানে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। বাবা রেজাউল করিম ও মা কোহিনূর করিম। দুজনেই বেঁচে আছেন এখনও। আর জুয়েলরা তিন ভাই। তিনি ছিলেন সবার বড়। মেজ ভাই হাসান মহিবুর রেজা রুবেল ও ছোট ভাই হাসান আরিফুর রেজা রাসেল। মৃত্যুকালে স্ত্রী সংগীতা আহমেদ ও একমাত্র কন্যা আজমুনা আজমুনা হাসানকে রেখে গেছেন জুয়েল। জানা যায়, বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাতেই সংগীতে পা রাখেন এই গায়ক। এ ছাড়া চাচা কিংবদন্তি সুরকার আলতাফ মাহমুদ ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ১৯৯৩ সালে প্রকাশ পায় জুয়েলের প্রথম একক অ্যালবাম, শিরোনাম ‘কুয়াশা প্রহর’। এরপর একে একে আরও দশটি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। সেগুলো হলো—‘এক বিকেলে (১৯৯৪)’, ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) ও ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায় ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। এ ছাড়া সত্তরের বেশি মিক্সড অ্যালবামে গান করেন জুয়েল। SHARES বিনোদন বিষয়: ইনডিপেনডেন্টসংগীতশিল্পী
জানা যায়, বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণাতেই সংগীতে পা রাখেন এই গায়ক। এ ছাড়া চাচা কিংবদন্তি সুরকার আলতাফ মাহমুদ ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। ১৯৯৩ সালে প্রকাশ পায় জুয়েলের প্রথম একক অ্যালবাম, শিরোনাম ‘কুয়াশা প্রহর’। এরপর একে একে আরও দশটি একক অ্যালবাম প্রকাশ করেন তিনি। সেগুলো হলো—‘এক বিকেলে (১৯৯৪)’, ‘আমার আছে অন্ধকার’ (১৯৯৫), ‘একটা মানুষ’ (১৯৯৬), ‘দেখা হবে না’ (১৯৯৭), ‘বেশি কিছু নয়’ (১৯৯৮), ‘বেদনা শুধুই বেদনা’ (১৯৯৯), ‘ফিরতি পথে’ (২০০৩), ‘দরজা খোলা বাড়ি’ (২০০৯) ও ‘এমন কেন হলো’ (২০১৭)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পায় ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। এ ছাড়া সত্তরের বেশি মিক্সড অ্যালবামে গান করেন জুয়েল।