প্রকাশিত: ১২:৪২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৮, ২০২৫

ক্ষুদে গানরাজের মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে আগমন রায়া শারমিলা ইসলাম রাফতি’র। চ্যানেল আইয়ে ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় হয়েছেন প্রথম রানার আপ। সাম্প্রতিক ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তারেক আনন্দ

ক্ষুদে গানরাজের দিনগুলো কেমন ছিল?

২০১৫ সালে নাম লেখাই ক্ষুদে গানরাজ প্রতিযোগিতায়। এ প্রতিযোগিতায় পাঁচবার ‘ভয়েস অব দ্য ডে’ হয়েছিলাম। কুমার বিশ^জিৎ স্যার, শাকিলা জাফর ম্যাম, সামিনা চৌধুরী, এস আই টুটুল ও ফেরদৌস আরা ম্যাম আমার গান শোনার পর অনেক প্রশংসা করেন। ওনারা স্টেজে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরেন। তাদের উপদেশমূলক কথাগুলো আজীবন মনে থাকবে। গ্র্যান্ড ফাইনালের দিন প্রধান বিচারক রুনা লায়লা ম্যাম আমার গান অনেক পছন্দ করেছেন। এরপর প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হই। এ ছাড়া ২০১৭ সালে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রতিযোগিতায় নজরুল সংগীতে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে স্বর্ণপদক পেয়েছি।

সংগীত শিক্ষা সম্পর্কে জানতে চাই।

২০০৮ সালে বগুড়ায় ওস্তাদ আব্দুল আউয়াল স্যারের কাছে গান শেখা শুরু। এরপর ফেরদৌস আরা ম্যামের কাছে ক্ল্যাসিক্যাল শেখা হয়েছে প্রায় দুই বছর। পাশাপাশি নাচও শিখেছি ছয় বছর। অনিল কুমার স্যারের কাছে তালিম নিই উচ্চাঙ্গ সংগীতের।

২০১৫ সালের পর সংগীতে ব্যস্ততা আপনার খুব বেশি চোখে পড়েনি। কেন?

পড়াশোনা নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। এর মধ্যে মৌলিক গান প্রকাশ হয়েছে তিনটি। উচ্চ মাধ্যমিকের আগ পর্যন্ত পড়াশোনায় বেশি মনোযোগ দিই। টিভি চ্যানেলে সংগীত পরিবেশনসহ স্টেজ লাইভও করা হয়েছে। ঢাকায় নিয়মিত ছিলাম না। বগুড়া থেকে ঢাকায় স্থায়ী হলাম এ বছর। নর্থসাউথ বিশ^বিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স করছি। এখন পুরোদমে গানের সঙ্গে ব্যস্ততা শুরু হবে।

শিগগির নতুন কোনো গান প্রকাশ হচ্ছে?

বেশকিছু গান নতুন বছর প্রকাশ হবে। পরিকল্পনা করছি। সংগীত পরিচালকের সঙ্গেও কথা হয়েছে। এপ্রিলে একটা বড় প্রজেক্ট আছে। বৈশাখ উপলক্ষে গানটি প্রকাশ হবে। আশা করছি শ্রোতাদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।

কোন ধরনের গান গাইতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?

ক্ল্যাসিক্যাল, সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ও আধুনিক গান গাইতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। রবীন্দ্রসংগীতের প্রতি বিশেষ টান আছে। ফোক গানও গাওয়া হয়।

সংগীতের পথচলায় নিজেকে কোথায় দেখতে চান?

শুদ্ধ সংগীতের পাশাপাশি শ্রোতাদের পছন্দের গান গেয়ে মানুষের অন্তরে নিজের নামটা লেখাতে চাই। দিনশেষে শ্রোতাদের মাঝেই শিল্পীরা বেঁচে থাকে।