তিস্তাপাড়ের ১১ পয়েন্টে জড়ো হয়েছে ৫ জেলার মানুষ প্রকাশিত: ৫:২৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫ তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা ও মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচিতে তিস্তাপাড়ের ১১ পয়েন্টে জড়ো হচ্ছেন হাজারো মানুষ। সকাল থেকে তীব্র রোদের কারণে দুপুরের পর থেকে দলে দলে যোগ দিতে আসছেন পাঁচ জেলার মানুষ। এরই মধ্যে তিস্তাপাড়ে জনতার সমাবেশে যোগ দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি লালমনিরহাটের তিস্তা সড়ক সেতু মঞ্চে উপস্থিত থেকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বিশ্ব জনমত গঠনে দুদিন ব্যাপী কর্মসূচি সফল করতে তিস্তা নদীর দুই পারে আশপাশের পাঁচটি জেলার মানুষ এ অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এ জন্য নীলফামারী থেকে গাইবান্ধা পর্যন্ত ১১টি স্থানে মঞ্চ ও তাঁবুর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রতিটি স্থানে সরাসরি উপস্থিত থাকবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। তারা সেখানে অবস্থান কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেবেন। কাল মঙ্গলবার সমাপনী অনুষ্ঠান হবে। সেখানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ভারতের উত্তর সিকিম থেকে উৎপত্তি হওয়া তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের সাথে মিলিত হয়েছে বাংলাদেশের নীলফামারী হয়ে। মোট ৩১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ তিস্তার ১১৫ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে বাংলাদেশ অংশে। ১৯৯৮ সালে প্রতিবেশী ভারত তাদের অংশে গজলডোবা ব্যারাজ নির্মাণের মাধ্যমে একতরফা পানি প্রত্যাহার শুরু করে। আন্তর্জাতিক নদী হওয়া সত্ত্বেও তিস্তার পানিতে সমান অধিকার পায় না বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হওয়া বাংলাদেশ এখন সবচেয়ে বিপদজ্জনক অবস্থায়। একদিকে তিস্তার নাব্যতা সংকট ফলে বর্ষায় অল্প পানিতেই বন্যার দেখা দেয়; দুকুল ছাপিয়ে পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ে, দুর্ভোগে পড়ে নদীর দুই তীরের অন্তত ২০ লাখ মানুষ। বন্যার পানি কমতে থাকলে শুরু হয় ভয়াবহ ভাঙন। ভাঙনে বিলীন হয় ফসলি জমি, বসতভিটা, নানা স্মৃতি বিজড়িত স্থাপনা। প্রতিবছরই ভূমিহীন হয় হাজারও পরিবার। আবার খরায় তিস্তার পানি সংকটে ব্যহত হয় নৌচলাচল ও চাষাবাদ। SHARES জাতীয় বিষয়: তিস্তালালমনিরহাটের