উৎপাদনে রেকর্ড গড়ল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকাশিত: ৫:২৮ অপরাহ্ণ, মে ৩, ২০২৬ তীব্র গরম ও বাড়তি চাহিদার চাপের মধ্যেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নতুন রেকর্ড গড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। জানা গেছে, ওই মাসে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহকৃত মোট বিদ্যুতের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ একাই দিয়েছে এই কেন্দ্র। সামগ্রিক উৎপাদনের প্রায় ৯ শতাংশ জোগান দিয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এটি। এপ্রিলজুড়ে তাপপ্রবাহের সময়েও কেন্দ্রটি গড়ে প্রায় ৮০ শতাংশ প্লান্ট লোড ফ্যাক্টর ধরে রাখতে সক্ষম হয়। বিশেষ করে মাসের শুরুতে যখন চাহিদা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে, তখন প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন চালু রেখে গ্রিডের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়। এটি টানা পঞ্চমবারের মতো এক মাসে ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের নজির স্থাপন করল, যা কেন্দ্রটির ধারাবাহিক কার্যক্ষমতারই প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও কেন্দ্রটি অত্যাধুনিক ব্যবস্থায় পরিচালিত হচ্ছে। ‘আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল’ প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি উন্নত ফ্লু গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন পদ্ধতির মাধ্যমে পরিবেশগত মান বজায় রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে শিল্প ও আবাসিক খাতে নিরবচ্ছিন্ন বেসলোড বিদ্যুৎ সরবরাহও বজায় থাকছে। বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রমানাথ পূজারী জানান, উচ্চ চাহিদার সময়েও প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা সম্ভব হয়েছে দক্ষ পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণে। তিনি এটিকে দুই দেশের সফল যৌথ উদ্যোগের দৃষ্টান্ত হিসেবেও উল্লেখ করেন। বর্তমানে প্রশিক্ষিত দেশীয় প্রকৌশলীরা কেন্দ্রটির পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, যা দেশের কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বিদ্যুৎ খাতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: ইতিবাচক অগ্রগতিউৎপাদনে রেকর্ড গড়লকারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেগ্রিডের ভারসাম্যনিরবচ্ছিন্ন বেসলোড বিদ্যুৎ সরবরাহওযৌথ উদ্যোগের দৃষ্টান্ত হিসেবেও উল্লেখ করেন।সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণেসক্ষমতায় কেন্দ্র পরিচালনা সম্ভব হয়েছে৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি