কেরালায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ প্রকৌশল শিক্ষার্থী নিহত প্রকাশিত: ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ভারতের কেরালা রাজ্যে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় তামিলনাড়ুর দিন্দিগুলের একটি প্রকৌশল কলেজের আট শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে জাতীয় মহাসড়ক-৬৬-এ একটি দাঁড় করিয়ে রাখা লরির পেছনে তাদের গাড়ি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আরো পড়ুন দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ত্রিশূর জেলার কৈপামঙ্গলমের পানাম্বিক্কুন্নু এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিক্ষার্থীরা গুরুভায়ুর থেকে কোডুঙ্গাল্লুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় মহারাষ্ট্রের নিবন্ধিত একটি লরির পেছনে তাদের গাড়িটি সজোরে ধাক্কা দেয়। পুলিশের করা মামলায় বলা হয়েছে, নির্মাণকাজের কারণে মহাসড়কের একটি অংশে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে ব্যারিকেড দেওয়া ছিল। এর কাছাকাছি মহাসড়কের ডান পাশে লরিটি অবৈধভাবে পার্ক করা ছিল। পুলিশের ধারণা, গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। চালক সড়কের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য দেওয়া ব্যারিকেডটি সময়মতো দেখতে না পাওয়ায় লরিটির পেছনে গিয়ে সজোরে ধাক্কা দেন। আরো পড়ুন র্যাবের জন্য কেনা হচ্ছে আরো ১৬৭ গাড়ি দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ছয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত আরো দুজনকে কাছের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের সবাই দিন্দিগুলের একটি প্রকৌশল কলেজের শিক্ষার্থী। পুলিশ এখন পর্যন্ত ছয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তারা হলেন—সূর্য, যুবসঞ্জিত, বিশ্ব, জোহুয়া, সন্তোষ ও প্রসন্ন। প্রথম চারজন দিন্দিগুলের এবং সন্তোষ ও প্রসন্ন মাদুরাইয়ের বাসিন্দা। বাকি দুজনের পরিচয় এখনাে নিশ্চিত করা যায়নি। আরো পড়ুন শিক্ষক রনজিলা হত্যা : র্যাবের গ্রেপ্তার ও উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কর্মী এবং পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহগুলো ত্রিশূর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কৈপামঙ্গলম পুলিশ লরি চালকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৫ ধারায় অনিচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগে মামলা করেছে। দুর্ঘটনার পরপরই লরি চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরো পড়ুন যে মিম্বারের সামনে কেঁদেছিল খেজুরগাছের গুঁড়ি উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। কর্মকর্তারা জানান, কয়েকটি পরিবারই জানত না যে তাদের সন্তানরা কেরালায় গিয়েছিলেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ত্রিশূর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছানোর পর ময়নাতদন্ত শুরু হবে বলেও জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। Download PhotoCard SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: কেরালায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ প্রকৌশল শিক্ষার্থী নিহত
ভারতের কেরালা রাজ্যে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় তামিলনাড়ুর দিন্দিগুলের একটি প্রকৌশল কলেজের আট শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে জাতীয় মহাসড়ক-৬৬-এ একটি দাঁড় করিয়ে রাখা লরির পেছনে তাদের গাড়ি ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আরো পড়ুন দুই মাসে ৪০০ টন পণ্য পরিবহন করেছে ‘স্পিড পোস্ট’ পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে ত্রিশূর জেলার কৈপামঙ্গলমের পানাম্বিক্কুন্নু এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। শিক্ষার্থীরা গুরুভায়ুর থেকে কোডুঙ্গাল্লুরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় মহারাষ্ট্রের নিবন্ধিত একটি লরির পেছনে তাদের গাড়িটি সজোরে ধাক্কা দেয়। পুলিশের করা মামলায় বলা হয়েছে, নির্মাণকাজের কারণে মহাসড়কের একটি অংশে যান চলাচল ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে ব্যারিকেড দেওয়া ছিল।
এর কাছাকাছি মহাসড়কের ডান পাশে লরিটি অবৈধভাবে পার্ক করা ছিল। পুলিশের ধারণা, গাড়িটি অতিরিক্ত গতিতে চলছিল। চালক সড়কের গতিপথ পরিবর্তনের জন্য দেওয়া ব্যারিকেডটি সময়মতো দেখতে না পাওয়ায় লরিটির পেছনে গিয়ে সজোরে ধাক্কা দেন। আরো পড়ুন র্যাবের জন্য কেনা হচ্ছে আরো ১৬৭ গাড়ি দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ছয় শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।
গুরুতর আহত আরো দুজনকে কাছের হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের সবাই দিন্দিগুলের একটি প্রকৌশল কলেজের শিক্ষার্থী। পুলিশ এখন পর্যন্ত ছয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। তারা হলেন—সূর্য, যুবসঞ্জিত, বিশ্ব, জোহুয়া, সন্তোষ ও প্রসন্ন। প্রথম চারজন দিন্দিগুলের এবং সন্তোষ ও প্রসন্ন মাদুরাইয়ের বাসিন্দা।
বাকি দুজনের পরিচয় এখনাে নিশ্চিত করা যায়নি। আরো পড়ুন শিক্ষক রনজিলা হত্যা : র্যাবের গ্রেপ্তার ও উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ কর্মী এবং পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়ি থেকে শিক্ষার্থীদের মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহগুলো ত্রিশূর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় কৈপামঙ্গলম পুলিশ লরি চালকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ১০৫ ধারায় অনিচ্ছাকৃত হত্যার অভিযোগে মামলা করেছে। দুর্ঘটনার পরপরই লরি চালক পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরো পড়ুন যে মিম্বারের সামনে কেঁদেছিল খেজুরগাছের গুঁড়ি উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। কর্মকর্তারা জানান, কয়েকটি পরিবারই জানত না যে তাদের সন্তানরা কেরালায় গিয়েছিলেন। নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ত্রিশূর মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছানোর পর ময়নাতদন্ত শুরু হবে বলেও জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।