সিরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে বন্দুক হামলা, নিহত ৭ প্রকাশিত: ৯:৪৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০২৬ সিরিয়ার হোমস প্রদেশে যাত্রীবাহী বাসে বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সানা জানিয়েছে, এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাসিয়াফ সেতু পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা বেসামরিক একটি বাসে গুলি ছোড়ে। বাসটিতে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। হোমসের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাসেম মুহাম্মদ শাবান হামলাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, হোমস প্রদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবেই আমরা এই হামলাকে দেখছি। এই অপরাধের বিচার হবে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। এদিকে, বাসে হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে রাজধানী দামেস্কের কাছে পূর্ব ঘৌতায় একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে দেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ ও তিশরিন এই তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। তিশরিন বিদ্যুৎকেন্দ্রেও আগুন লাগে বলে সিরিয়ার বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এর মাত্র দুদিন আগেই পূর্ব সিরিয়ার অপর একটি গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতামূলক হামলা চালানো হয়েছিল। Download PhotoCard SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: নিহত ৭সিরিয়ায় যাত্রীবাহী বাসে বন্দুক হামলা
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মাসিয়াফ সেতু পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা বেসামরিক একটি বাসে গুলি ছোড়ে। বাসটিতে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। হোমসের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বাসেম মুহাম্মদ শাবান হামলাকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একইসঙ্গে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি বলেন, হোমস প্রদেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা হিসেবেই আমরা এই হামলাকে দেখছি। এই অপরাধের বিচার হবে এবং অপরাধীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। এদিকে, বাসে হামলার কয়েক ঘণ্টা আগে রাজধানী দামেস্কের কাছে পূর্ব ঘৌতায় একটি গ্যাস পাইপলাইনে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে দেইর আলি, আল-নাসিরিয়াহ ও তিশরিন এই তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। তিশরিন বিদ্যুৎকেন্দ্রেও আগুন লাগে বলে সিরিয়ার বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এর মাত্র দুদিন আগেই পূর্ব সিরিয়ার অপর একটি গ্যাস পাইপলাইনে নাশকতামূলক হামলা চালানো হয়েছিল।