ঢাকার অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই প্রোগ্রাম ফর ডক্টরস আয়োজন প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০২৬ টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল ও অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার (লাইসেন্সি : জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি.) সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিক্যাল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম ফর ডক্টরস আয়োজন করেছে।অক্টোবর মাসজুড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে র্যালি ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিনটি শুরু করে। বিশেষায়িত মেডিক্যাল অনকোলজি এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, গাইনি ও ব্রেস্ট অনকোলজি সার্জারি বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞবৃন্দের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশেষ দুইটি সেশন অনুষ্ঠিত হয় : ‘বিঅন্ড কেমোথেরাপির : ব্রেস্ট, ফুসফুস ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি ও টার্গেটেড থেরাপির ক্রমবিকা’ ও ‘ইভলভিং প্যারাডাইমস ইন দ্য ম্যানেজমেন্ট অব ব্রেস্ট ক্যান্সার’। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডা. নিরঞ্জন বিজয়ারাঘবন ও গ্যাস্ট্রো, গাইনি ও ব্রেস্ট অনকোলজিস্ট ডা. ঊষা গৌতম মেহতা। অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জন ডা. আলি নাফিসা। এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড পিএলসি. এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরো সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি দেশের মানুষের কাছে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। এখানে রয়েছে ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ, আইসিইউ, এইচডিইউ, এনআইসিইউ ও পিআইসিইউ সুবিধা। পাশাপাশি রয়েছে ডায়ালাইসিস, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ওয়ার্ড ও কেবিন, রেডিওলজি ও ইমেজিং সেবা, বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র এবং টিকাদান কার্যক্রম। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যা, বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও স্বল্প খরচে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ৩০,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ৩০০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ১৫০০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আধুনিক চিকিৎসাজ্ঞান এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবার সমন্বয়ে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি বাংলাদেশের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ‘এক্সপার্টিজ, ক্লোজার টু ইউ’- এই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। Download PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: ঢাকার অ্যাপোলো ক্লিনিকে আন্তর্জাতিক সিএমই প্রোগ্রাম ফর ডক্টরস আয়োজন
টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল ও অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি, ঢাকার (লাইসেন্সি : জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি.) সহযোগিতায় একটি আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিক্যাল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম ফর ডক্টরস আয়োজন করেছে।অক্টোবর মাসজুড়ে ব্রেস্ট ক্যান্সার সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে র্যালি ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিনটি শুরু করে।
বিশেষায়িত মেডিক্যাল অনকোলজি এবং গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, গাইনি ও ব্রেস্ট অনকোলজি সার্জারি বিষয়ক শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞবৃন্দের সঙ্গে জ্ঞান বিনিময়ে অংশ নিতে প্রায় ১০০ জন বাংলাদেশি মেডিক্যাল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানটি অ্যাপোলো ক্লিনিক, ধানমন্ডির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশেষ দুইটি সেশন অনুষ্ঠিত হয় : ‘বিঅন্ড কেমোথেরাপির : ব্রেস্ট, ফুসফুস ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি ও টার্গেটেড থেরাপির ক্রমবিকা’ ও ‘ইভলভিং প্যারাডাইমস ইন দ্য ম্যানেজমেন্ট অব ব্রেস্ট ক্যান্সার’। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডা. নিরঞ্জন বিজয়ারাঘবন ও গ্যাস্ট্রো, গাইনি ও ব্রেস্ট অনকোলজিস্ট ডা. ঊষা গৌতম মেহতা। অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জন ডা. আলি নাফিসা।
এই সিএমই প্রোগ্রাম বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতাল ব্র্যান্ড জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড পিএলসি. এবং বিখ্যাত দক্ষিণ এশিয়ান স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপোলো হাসপাতালের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতাকে আরো সুদৃঢ় করেছে। একাধিক দেশে ৭৬টিরও বেশি হাসপাতাল এবং ৭০০টিরও বেশি ক্লিনিক পরিচালনাকারী অ্যাপোলো হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি দেশের মানুষের কাছে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা সাশ্রয়ী মূল্যে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছে। এখানে রয়েছে ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ, আইসিইউ, এইচডিইউ, এনআইসিইউ ও পিআইসিইউ সুবিধা।
পাশাপাশি রয়েছে ডায়ালাইসিস, আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, ওয়ার্ড ও কেবিন, রেডিওলজি ও ইমেজিং সেবা, বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র এবং টিকাদান কার্যক্রম। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যা, বিভিন্ন পর্যায়ে সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি রোগীদের নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশি রোগীদের বিদেশে না গিয়েও স্বল্প খরচে নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা এবং পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকৃষ্ট করা। অনুষ্ঠানে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে রয়েছে ৩০,০০০-এরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ৩০০০টি অন্তঃবিভাগ (আইপিডি) এবং ১৫০০টিরও বেশি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা এবং সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার এক শতাংশেরও কম। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, আধুনিক চিকিৎসাজ্ঞান এবং রোগীকেন্দ্রিক সেবার সমন্বয়ে অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি বাংলাদেশের মানুষের কাছে সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
‘এক্সপার্টিজ, ক্লোজার টু ইউ’- এই অঙ্গীকারকে সামনে রেখে প্রতিষ্ঠানটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।