১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, কর্মসংস্থান হবে ২ লাখ বাংলাদেশির প্রকাশিত: ১২:৩১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৮, ২০২৬ আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ ১ ট্রিলিয়ন ইয়েনে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের টোকিওতে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে শীর্ষ বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে দুই নেতা ‘জাপান-বাংলাদেশ যৌথ বিবৃতি’ দিয়েছেন যা জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রকাশিত বিবৃতি অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে শুরু হওয়া বৈঠকটি প্রায় ২৫ মিনিট স্থায়ী হয়। পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলন ও মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন দুই নেতা। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বড় প্রত্যাশা বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ কোটি ইয়েনে পৌঁছাতে পারে বলে জানান তাকাইচি সানায়ে। এ বিনিয়োগ থেকে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিবেশ ও অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অদূর ভবিষ্যতে একটি জাপানি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তাকাইচি। এর জবাবে জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগকে স্বাগত জানান এবং গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান । দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষি, বনজ ও মৎস্যজাত পণ্য, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিমান চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হন দুই নেতা। দ্রুত কার্যকর হবে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট-ইপিএ) দ্রুত কার্যকর করার জন্য দুই দেশের সরকার একযোগে কাজ করবে বলে জানানো হয়েছে। জাপানি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাকাইচি। এর পাশাপাশি তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য এমন পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। এর জবাবে তারেক রহমান জানান, বাংলাদেশ সরকারও স্বচ্ছতার সঙ্গে এ লক্ষ্য অর্জনে কাজ করবে। ইপিএ কার্যকর হলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে, এর বাস্তব সুফল নির্ভর করবে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন, ব্যবসায়িক পরিবেশ এবং সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে সহযোগিতা কতটা এগোয়, তার ওপর। Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: কর্মসংস্থান হবে ২ লাখ বাংলাদেশির১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান