জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি: দুদকের মামলার পর ৩ উপসচিবকে ওএসডি প্রকাশিত: ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার মুখে ‘জালিয়াতি’র মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে তাদের ওএসডি করার বিষয়টি জানানো হয়। ওএসডি হওয়া তিন উপসচিব হলেন—জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক। তারা সবাই ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ওই তিন উপসচিবসহ মোট ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটা জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পায় দুদক। বাকি তিন কর্মকর্তা অন্য ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। অনুসন্ধানে জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতার অপব্যবহার, নথিপত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ওই ছয় প্রার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে অবৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার ধারাবাহিকতায় এবার অভিযুক্ত তিন উপসচিবের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল সরকার। Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি: দুদকের মামলার পর ৩ উপসচিবকে ওএসডি
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার মুখে ‘জালিয়াতি’র মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি নেওয়া তিন উপসচিবকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে তাদের ওএসডি করার বিষয়টি জানানো হয়। ওএসডি হওয়া তিন উপসচিব হলেন—জামালপুর জোনের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার মো. তোফাজ্জল হোসেন, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) পরিচালক রকিবুর রহমান খান এবং বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সচিব নাহিদা বারিক। তারা সবাই ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে প্রশাসন ক্যাডারে নিয়োগ পেয়েছিলেন। সরকারি নথিতে তারা মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেলেও দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, বিসিএস পরীক্ষার সময় তাদের কেউই মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রার্থী হিসেবে আবেদন করেননি। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ওই তিন উপসচিবসহ মোট ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটা জালিয়াতির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পায় দুদক। বাকি তিন কর্মকর্তা অন্য ক্যাডারে কর্মরত রয়েছেন। অনুসন্ধানে জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে দুদক। দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সংশ্লিষ্টদের ক্ষমতার অপব্যবহার, নথিপত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ২৯তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের প্রায় ছয় মাস পর ওই ছয় প্রার্থীকে নিয়মবহির্ভূতভাবে মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় প্রশাসন, পুলিশ, পরিবার পরিকল্পনা ও সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে অবৈধ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই মামলার ধারাবাহিকতায় এবার অভিযুক্ত তিন উপসচিবের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল সরকার।