নিষিদ্ধ জালে হুমকিতে মৎস্য সম্পদ

প্রকাশিত: ৫:২৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৭, ২০২৫

বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকায় দিনদিন বাড়ছে অনুমোদনহীন ট্রলিং বোটের দৌরাত্ম্য। এসব নৌযানে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে নির্বিচারে শিকার করা হচ্ছে পোনা মাছ। ফলে বিপন্ন হচ্ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক মৎস্য সম্পদ। এতে ভেস্তে যাচ্ছে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সরকারের সব পরিকল্পনা।

গবেষকরা বলছেন, নিষিদ্ধ জালে মাছ ধরায় সব ধরনের মাছের পোনা, রেণু ও জলজ প্রাণী ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মাছের প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বড় মাছের খাদ্য শৃঙ্খলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সমুদ্রে দাপিয়ে বেড়ানো ট্রলিং বোটগুলোর মধ্যে বরগুনায় রয়েছে অর্ধশতাধিক। নীতিমালা অনুযায়ী ৪০ মিটার গভীরতার কম পানিতে মাছ শিকার করতে পারবে না ট্রলিং বোট। তবে নীতিমালার তোয়াক্কা না করে সাগরের তীরবর্তী এলাকায় মাছ ধরছে এসব ট্রলিং বোট। এসব নৌযানে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করায় পোনাসহ মারা পড়ছে সব প্রজাতির মাছ।গবেষকদের মতে, বর্তমানে সমুদ্রে ক্যাটফিশ প্রজাপতির মেদ, মোচন, গাগড়া এবং ট্যাংরা মাছের উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। পিনিয়াস প্রজাতির কোরাল এবং জাভা মাছের উৎপাদনও কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে। নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে নির্বিচারে মাছ আহরণ করায় সমুদ্রে মাছ উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। এতে লোকসানের মুখে পড়বেন এ অঞ্চলের জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীরা।