বিদেশে কীভাবে কাজ করে ইসরায়েলি গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক? প্রকাশিত: ৭:০১ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২৫ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা সময়ে নিশানা করে চালানো একাধিক হত্যাকাণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের তৎপরতার গল্প। তাদের এসব অভিযানকে গোয়েন্দা উপন্যাসের সঙ্গেও তুলনা করেন কেউ কেউ। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার প্রথম দিনেই ইরানে কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন। তবে এ ধরনের হামলা ঘটনা এটিই প্রথম নয়। গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় লেবাননের ইরানপন্থি শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহর প্রধান হাসান নাসরুল্লাহ নিহত হন। দক্ষিণ বৈরুতের দাহিয়াহ এলাকায় হাসান নাসরুল্লাহ ও হিজবুল্লাহর অন্য জ্যেষ্ঠ কমান্ডাররা নিহত হন। হিজবুল্লাহর যোগাযোগ ব্যবস্থাকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েলি বাহিনী। হিজবুল্লাহর সদস্যদের ব্যবহৃত পেজার ও ওয়াকি-টকির বিস্ফোরণ ঘটিয়ে প্রায় ৩৭ জনকে হত্যা করে ইসরায়েল। ২০২৪ সালের দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায় হিজবুল্লাহর কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন ইসরায়েলের গুপ্ত হামলায়। আর এর বেশিরভাগ ঘটনা ঘটেছে এক সপ্তাহের মাথায়। এই সংগঠনটি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এর আগে, ২০০৬ সালে দুই প্রতিপক্ষ এক অমীমাংসিত যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। ২০২৪ সালের এপ্রিলে সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে ইরানি কূটনৈতিক ভবনকেও লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইসরায়েল। ওই হামলায় ইরানি বিপ্লবী গার্ড ও অন্যান্য কর্মীসহ মোট ১৩ জন নিহত হন। একই বছরের জুলাইয়ে আরেক হামলায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়াহ তেহরানে নিহত হন। ইসরায়েল এই হত্যার দায় স্বীকার করেনি। যদিও এই হামলার পেছনেও ইসরায়েলই জড়িত ছিল বলে ধারণা করা হয়। SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: উপন্যাসেরগোয়েন্দাহেজবুল্লাহর