কৃষিমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত: ৩:০৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬

কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মা আমেনা বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টম্বর) দুপুরে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ১০৩ বছর বয়সে মারা যান আমেনা বেগম। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও পাঁচ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আরও পড়ুন

কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের মা মারা গেছেন

শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমেনা বেগম ছিলেন একজন স্নেহশীল ও মমতাময়ী মা। তার মৃত্যু পরিবার ও স্বজনদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। একজন মায়ের চলে যাওয়া পরিবারের জন্য গভীর বেদনার। মরহুমার স্নেহ, মমতা ও স্মৃতি স্বজনদের মধ্যে চিরদিন বেঁচে থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী মহান আল্লাহর নিকট মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এদিকে, মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, কৃষি মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান।

এক শোকবার্তায় তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় কৃষি সচিব বলেন, আমেনা বেগম ছিলেন একজন স্নেহশীল ও মমতাময়ী মা। তার মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের মাঝে যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মহান আল্লাহ যেন মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন।

উল্লেখ্য, আমেনা বেগম ( ১০৩) আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি চার ছেলে ও পাঁচ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

এদিকে, কৃষি মন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।