এজলাস থেকে মামলার নথি চুরির অভিযোগে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আটক প্রকাশিত: ১১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি ‘চুরি’র অভিযোগে আবু সাঈদ মোল্লা (৫৪) নামে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন বিয়ের অনুষ্ঠান ও রীতিপ্রথা প্রসঙ্গে ইসলাম এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আবু সাঈদ মোল্লার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এজলাস কক্ষে থাকা দুটি মামলার নথি খোয়া যায়। বিকেল ৩টার দিকে চৌগাছা সিভিল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শেখ আব্দুর বাছেদ ফোন করে জানান, হারিয়ে যাওয়া নথি দুটি আবু সাঈদ মোল্লার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পরে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে গিয়ে তাকে নথিসহ আটক করে বিচারক সুমাইয়া কাওসারের সামনে হাজির করেন। বিচারক নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আবু সাঈদ মোল্লাকে থানায় নিয়ে যায়। আটক আবু সাঈদ মোল্লার দাবি, তিনি নথি দুটি চুরি করেননি। তার অজান্তেই নথি দুটি ডায়েরির সঙ্গে চলে যায়। চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে ডায়েরি রাখার পর তিনি ডায়েরির নিচে নথি দুটি দেখতে পান এবং সেগুলো সেখানেই রেখে যান। এসআই Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: এজলাস থেকে মামলার নথি চুরির অভিযোগে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আটক
যশোরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের এজলাস কক্ষ থেকে দুটি মামলার নথি ‘চুরি’র অভিযোগে আবু সাঈদ মোল্লা (৫৪) নামে একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন বিয়ের অনুষ্ঠান ও রীতিপ্রথা প্রসঙ্গে ইসলাম এ ঘটনায় ট্রাইব্যুনালের সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেছেন।
আবু সাঈদ মোল্লার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার জলকর গ্রামে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এজলাস কক্ষে থাকা দুটি মামলার নথি খোয়া যায়।
বিকেল ৩টার দিকে চৌগাছা সিভিল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শেখ আব্দুর বাছেদ ফোন করে জানান, হারিয়ে যাওয়া নথি দুটি আবু সাঈদ মোল্লার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পরে ট্রাইব্যুনালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখানে গিয়ে তাকে নথিসহ আটক করে বিচারক সুমাইয়া কাওসারের সামনে হাজির করেন।
বিচারক নিয়মিত মামলা করার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আবু সাঈদ মোল্লাকে থানায় নিয়ে যায়।
আটক আবু সাঈদ মোল্লার দাবি, তিনি নথি দুটি চুরি করেননি। তার অজান্তেই নথি দুটি ডায়েরির সঙ্গে চলে যায়। চৌগাছা সিভিল জজ আদালতে ডায়েরি রাখার পর তিনি ডায়েরির নিচে নথি দুটি দেখতে পান এবং সেগুলো সেখানেই রেখে যান।