এমপির সঙ্গে সম্পর্ক, তরুণীর মৃত্যু: প্রশ্ন ক্ষমতার অসমতার

প্রকাশিত: ১০:২২ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

একটি ফ্ল্যাট। একটি পরিবার। একটি ১৯ বছরের তরুণী। আর সেই ঘরের ভেতর ঘটে যাওয়া একটি মৃত্যু—যার সত্য এখন তদন্ত, ময়নাতদন্ত, ফরেনসিক পরীক্ষা ও আদালতের নথিতে খুঁজে বের করতে হবে। কিন্তু আইনের তদন্তের পাশাপাশি সমাজেরও একটি তদন্ত প্রয়োজন। সেই তদন্তের প্রশ্ন হলো—একজন অতি তরুণ মানুষ যখন এমন এক সম্পর্কে প্রবেশ করেন, যেখানে বয়স, সামাজিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সামর্থ্য ও রাজনৈতিক ক্ষমতায় বিপুল অসমতা থাকে, তখন সেই সম্পর্কের ভেতরে তাঁর নিরাপত্তা ও স্বাধীনতার জায়গাটি কোথায়?

রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের মরদেহ উদ্ধারের পর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তাঁর প্রথম স্ত্রী মাকছুদা বেগম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ গাজী নজরুল ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে। সোমবার আদালত গাজী নজরুলের চার দিন এবং মাকছুদার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। এগুলো মামলার বর্তমান পর্যায়ের তথ্য; কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার সুযোগ এখনো নেই।

তদন্তের ফল কী হবে, সেটিই শেষ কথা। কিন্তু এই ঘটনার সামাজিক পাঠ কি শুধু আদালতের রায়ের অপেক্ষায় থাকবে? আমার মনে হয়, না। মরিয়মের সঙ্গে গাজী নজরুলের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আসে গত জুলাইয়ে, যখন তাঁদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে গাজী নজরুল নিজেই জানান, ওই তরুণী তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং তাঁদের বিয়ে হয়েছিল ১৭ জুন। এরপর জামায়াতে ইসলামী তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যুর সত্য তদন্তে বেরিয়ে আসবে। কেউ দায়ী হলে আইনের আওতায় আসবেন, কেউ নির্দোষ হলে সেটিও প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু একটি বিষয় যেন তদন্তের ভিড়ে হারিয়ে না যায়—একজন ১৯ বছরের তরুণীর জীবন কেন এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছাল, সেখানে তাঁর সামনে নিরাপদ পথ কতটা খোলা ছিল?

একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক কীভাবে এক মুহূর্তে জনসম্মুখের আলোচনায় চলে আসে—এই ঘটনাও আমাদের নতুন করে ভাবায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা এখন কতটা ভঙ্গুর, সেটি আমরা বারবার দেখছি। কিন্তু তার চেয়েও গভীর প্রশ্নটি হলো—একজন ১৯ বছরের তরুণী এবং ৭৫ বছর বয়সী একজন সংসদ সদস্যের সম্পর্কের ভেতরে ক্ষমতার ভারসাম্য কেমন ছিল?

এখানে বয়সের ব্যবধানটিকে কেবল কৌতূহলের বিষয় হিসেবে দেখলে ভুল হবে। বয়সের সঙ্গে অভিজ্ঞতা, সামাজিক যোগাযোগ, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং সামাজিক প্রভাবও অনেক সময় যুক্ত থাকে। তার সঙ্গে যদি রাজনৈতিক ক্ষমতা যোগ হয়, তাহলে সম্পর্কটি কাগজে-কলমে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পর্ক হলেও বাস্তবতার মাটিতে ক্ষমতার সমীকরণ একেবারে সমান নাও হতে পারে। এ কারণেই ভালোবাসার সঙ্গে ক্ষমতার প্রশ্নটি আলাদা করে দেখা দরকার।

ভালোবাসা ব্যক্তিগত। কিন্তু ক্ষমতা কখনো পুরোপুরি ব্যক্তিগত থাকে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাম্প্রতিক তথ্য ও বিশ্লেষণেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সহিংসতার ঝুঁকির সঙ্গে নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ এবং সম্পর্কের ভেতরে ক্ষমতার বড় অসমতার যোগসূত্রের কথা বলা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক নির্যাতন, ভয় দেখানো, বিচ্ছিন্ন করে রাখা, চলাফেরা বা অর্থনৈতিক সম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ—এসবও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের সহিংসতার অংশ হতে পারে। বিশ্বব্যাপী প্রায় প্রতি তিনজন নারীর একজন জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সঙ্গী বা অন্য কারও শারীরিক কিংবা যৌন সহিংসতার শিকার হয়েছেন বলে ২০২৫ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে উঠে এসেছে।

অবশ্যই, এই বৈশ্বিক পরিসংখ্যানকে মরিয়মের মৃত্যুর কারণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার দায় নির্ধারণ করে না এসব তথ্য। কিন্তু এগুলো আমাদের একটি বিষয় বুঝতে সাহায্য করে—সম্পর্কের ভেতরের ক্ষমতার অসমতা কোনো কল্পিত সমস্যা নয়; এটি বিশ্বজুড়ে গবেষণায় স্বীকৃত একটি সামাজিক বাস্তবতা।

মরিয়মের পরিবারের করা মামলায় তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে নির্যাতনের কথা জানিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের এখন খুঁজে বের করতে হবে—এই অভিযোগের পক্ষে কী প্রমাণ আছে, কারা কী জানতেন, কোনো সতর্ক সংকেত ছিল কি না, থাকলে সেগুলো উপেক্ষিত হয়েছিল কি না।

এই জায়গাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কোনো মানুষের জীবনের শেষ মুহূর্তটি হঠাৎ করে তৈরি হয় না। সংকট অনেক সময় ধীরে ধীরে জমে। সম্পর্কের মধ্যে অপমান, ভয়, বিচ্ছিন্নতা, অবিশ্বাস, সামাজিক চাপ কিংবা নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার অনুভূতি—এসব একসঙ্গে একজন মানুষকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দিতে পারে। সব ক্ষেত্রেই এমন হয় না; কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ সম্পর্ক শনাক্ত করার ক্ষেত্রে এগুলো গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।

আমাদের সমাজে মেয়েদের জীবনের সিদ্ধান্তে পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং সামাজিক মর্যাদার চাপও কম নয়। একটি মেয়ের বিয়ে কাকে দেওয়া হবে, সে কোথায় থাকবে, সম্পর্কটি টিকবে কি না—এসব প্রশ্নে অনেক সময় মেয়েটির নিজের ইচ্ছার চেয়ে পরিবার, সমাজ কিংবা ক্ষমতাবান ব্যক্তির সিদ্ধান্ত বেশি প্রভাবশালী হয়ে ওঠে।

আর দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত পরিবারের কোনো তরুণীর সঙ্গে প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্ক হলে এই অসমতা আরও জটিল হতে পারে। কারণ সম্পর্কের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে একজন তরুণীর সামনে বিকল্প পথ কতটা খোলা থাকে, সেটিও দেখতে হবে। সে কি নিজের পরিবারে ফিরে যেতে পারে? অর্থনৈতিকভাবে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে? আইনি সহায়তা নিতে পারে? নিরাপদ জায়গায় যেতে পারে? তার অভিযোগ কি গুরুত্বের সঙ্গে শোনা হবে?

এসব প্রশ্ন আসলে মরিয়মের একার নয়। বাংলাদেশের অসংখ্য নারীর প্রশ্ন। আমরা প্রায়ই সম্পর্কের সংকটকে ‘পারিবারিক ব্যাপার’ বলে পাশ কাটিয়ে যাই। অথচ কোনো সম্পর্কের মধ্যে যদি ভয়, নির্যাতন, জবরদস্তি বা নিয়ন্ত্রণ থাকে, সেটি আর নিছক ব্যক্তিগত ব্যাপার থাকে না। সেখানে মানবাধিকার, আইনি সুরক্ষা এবং সামাজিক দায়িত্বের প্রশ্ন জড়িয়ে যায়।

এই ঘটনার আরেকটি অস্বস্তিকর দিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। কয়েক মাস আগে মরিয়মকে ঘিরে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন একজন তরুণীর ব্যক্তিগত জীবন লাখো মানুষের কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছিল। কে ভিডিওটি ছড়াল, কেন ছড়াল, কত মানুষ তা দেখল, কতজন মন্তব্য করল—এসব প্রশ্নের পাশাপাশি আমাদের ভাবতে হবে, একজন মানুষের ব্যক্তিগত মর্যাদা নষ্ট করার এই সংস্কৃতি কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে।

ডিজিটাল জনতা খুব দ্রুত বিচার করে। কিন্তু সেই বিচারের কোনো আদালত নেই, কোনো প্রমাণের মানদণ্ড নেই, কোনো আপিলের সুযোগ নেই। আজ যে মানুষটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্র, কাল তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার সময়টিও সেই একই জনতার বিনোদনের উপকরণ হয়ে উঠতে পারে। এখানে গণমাধ্যমের দায়িত্বও বড়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আত্মহত্যা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতার পরামর্শ দিয়েছে। সংস্থাটি বলছে, অতিরঞ্জিত, চাঞ্চল্যকর বা পদ্ধতির বিস্তারিত বর্ণনামূলক প্রতিবেদন অনুকরণমূলক আচরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে আত্মহত্যাকে কোনো একটি কারণ দিয়ে ব্যাখ্যা না করে সংকট, সহায়তা ও প্রতিরোধের বিষয়গুলো সামনে আনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

অর্থাৎ মরিয়মের মৃত্যুর সংবাদ করতে গিয়ে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের অপ্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি প্রকাশ করা, কথিত চিরকুটের বক্তব্য প্রচার করা কিংবা মৃত্যুর ঘটনাকে নাটকীয় করে তোলা—এসব থেকে বিরত থাকা উচিত। কারণ সাংবাদিকতা শুধু তথ্য প্রকাশের নাম নয়; কখন কোন তথ্য প্রকাশ না করাও মানুষের প্রতি দায়িত্বের অংশ। তবে এই দায়িত্ব কেবল সাংবাদিকের নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরও।

এমপির দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়মের মৃত্যুর সত্য তদন্তে বেরিয়ে আসবে। কেউ দায়ী হলে আইনের আওতায় আসবেন, কেউ নির্দোষ হলে সেটিও প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু একটি বিষয় যেন তদন্তের ভিড়ে হারিয়ে না যায়—একজন ১৯ বছরের তরুণীর জীবন কেন এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছাল, সেখানে তাঁর সামনে নিরাপদ পথ কতটা খোলা ছিল?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবারকে দেখলে চলবে না। দেখতে হবে আমাদের সামাজিক কাঠামোকে। দেখতে হবে নারীর নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কতটা। দেখতে হবে পারিবারিক সহিংসতাকে আমরা কতটা গুরুত্ব দিয়ে দেখি। দেখতে হবে ক্ষমতাবান মানুষের ব্যক্তিগত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও জবাবদিহির নৈতিক মানদণ্ড আছে কি না। দেখতে হবে তরুণ-তরুণীরা সম্পর্কের সংকটে পড়লে কোথায় নিরাপদ পরামর্শ পাবে।

সমাধানের পথও তাই বহুমাত্রিক। পরিবারে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে কোনো তরুণী বিপদে পড়লে ভয় না পেয়ে কথা বলতে পারেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে সম্পর্কজনিত সহিংসতা ও মানসিক সংকট নিয়ে পরামর্শব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। নারী ও তরুণদের জন্য সহজলভ্য আইনি ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। অভিযোগকে ‘সংসারের ব্যাপার’ বলে এড়িয়ে না গিয়ে প্রাথমিক পর্যায়েই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আত্মহত্যা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে দায়িত্বশীল আচরণের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও আত্মহত্যা প্রতিরোধে কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও আবেগগত দক্ষতা বাড়ানো, সংকটের মানুষকে দ্রুত শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।

মরিয়মের মৃত্যুর বিচার হবে আদালতে। সেখানে প্রমাণ কথা বলবে। আবেগ নয়, গুজব নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রায়ও নয়। কিন্তু সমাজের বিচারবোধের জায়গাটি আমাদের নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।

একজন তরুণীর মৃত্যু যেন কেবল একটি মামলার নম্বর হয়ে না থাকে। যেন এটি আমাদের শেখায়—সম্পর্কে ভালোবাসা থাকলেই সম্পর্ক নিরাপদ হয় না; সেখানে মর্যাদা, স্বাধীনতা, সম্মতি এবং নিরাপত্তাও থাকতে হয়। বয়সের ব্যবধান, অর্থনৈতিক বৈষম্য কিংবা রাজনৈতিক ক্ষমতা যখন একটি সম্পর্কে প্রবেশ করে, তখন ‘ভালোবাসা’ শব্দটির আড়ালে লুকিয়ে থাকা ক্ষমতার হিসাবটিও দেখতে হয়।

সবচেয়ে বড় কথা, একজন মানুষ যখন বিপন্ন হয়ে পড়েন, তখন তাঁর পাশে দাঁড়ানোর জন্য মৃত্যুর অপেক্ষা করা যাবে না। মরিয়ম আর ফিরে আসবেন না। তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণও তদন্তের মাধ্যমেই জানা যাবে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর আমরা যদি শুধু কে দোষী, কে নির্দোষ—এই প্রশ্নেই আটকে থাকি, তাহলে হয়তো আরও বড় প্রশ্নটি অনুত্তরিত থেকে যাবে: একজন তরুণীকে বাঁচিয়ে রাখার মতো নিরাপদ সমাজ আমরা কি তৈরি করতে পেরেছি?

এই প্রশ্নের উত্তর শুধু আদালত দেবে না। পরিবারকে দিতে হবে, রাষ্ট্রকে দিতে হবে, গণমাধ্যমকে দিতে হবে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীদেরও দিতে হবে। কারণ কখনো কখনো একজন মানুষের মৃত্যুর আগে সমাজের অসংখ্য দরজা বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের দায়িত্ব হলো—সেই দরজাগুলো যেন মৃত্যুর আগেই খুলে দেওয়া যায়।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ।
drharun.press@gmail.com

এইচআর/এমএফএ/এএসএম