সরকারি সেবার প্ল্যাটফর্ম মাইগভ অচল, ভোগান্তিতে মানুষ প্রকাশিত: ১০:২৫ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২৬ সরকারি সেবার একক প্ল্যাটফর্ম মাইগভের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় আটকে আছে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাজ। প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ এ প্ল্যাটফর্ম থেকে সেবা নেয়। ওয়েবসাইটটি রবিবার থেকে বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাইগভের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায়নি। সাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে ‘ওয়েব সার্ভার ডাউন’ বার্তা দেখা যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটির ফেসবুক পেজে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনে ওয়েবসাইটের সংস্করণ হালনাগাদ করা হচ্ছে। মাইগভের অধীন একাধিক ডোমেইনও হালনাগাদের প্রয়োজন পড়েছে। এ জন্য কয়েক দফা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। কাজ শেষ হলে মঙ্গলবারের মধ্যে সেবা চালু হতে পারে। ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় জরুরি নথি সংগ্রহ ও জমা দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আবেদনকারীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ই-অ্যাপোস্টিলের জন্য নথি জমা দেওয়া শাহরিয়ার অর্ণব জানান, পরদিনই তাঁর নথিগুলো প্রয়োজন ছিল। ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় সময়মতো কাজ শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, সাইবার নিরাপত্তার কারণে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে ত্রুটি সংশোধন প্রয়োজন হতে পারে। তবে একটি প্ল্যাটফর্মে বিপুলসংখ্যক সরকারি সেবা কেন্দ্রীভূত থাকলে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা জরুরি। আবেদনকারীদের ক্ষতি এড়াতে সময়সীমা বাড়ানো ও নিয়মিত অগ্রগতির তথ্য জানানোর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন (এটুআই) উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত মাইগভে প্রায় ৪৪০টি সরকারি সেবা রয়েছে। এর মাধ্যমে ই-অ্যাপোস্টিল, জমিসংক্রান্ত সেবা, বিভিন্ন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স এবং অনুমতি ও অনুদানের জন্য আবেদন করা যায়। বাংলাদেশের সরকারি কম্পিউটার নিরাপত্তা দল বিজিডি ই-গভ সিআইআরটির তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো ও নিরাপত্তাঝুঁকিপূর্ণ পিএইচপি সংস্করণ ব্যবহার করছিল সরকারি-বেসরকারি ৫০টির বেশি ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ। নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবেলায় ত্রুটি সংশোধন ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা হালনাগাদ করা জরুরি। Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: ভোগান্তিতে মানুষসরকারি সেবার প্ল্যাটফর্ম মাইগভ অচল
সরকারি সেবার একক প্ল্যাটফর্ম মাইগভের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় আটকে আছে আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাজ। প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয় হাজার মানুষ এ প্ল্যাটফর্ম থেকে সেবা নেয়।
ওয়েবসাইটটি রবিবার থেকে বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মাইগভের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা যায়নি। সাইটে ঢোকার চেষ্টা করলে ‘ওয়েব সার্ভার ডাউন’ বার্তা দেখা যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মটির ফেসবুক পেজে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনে ওয়েবসাইটের সংস্করণ হালনাগাদ করা হচ্ছে। মাইগভের অধীন একাধিক ডোমেইনও হালনাগাদের প্রয়োজন পড়েছে। এ জন্য কয়েক দফা পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। কাজ শেষ হলে মঙ্গলবারের মধ্যে সেবা চালু হতে পারে।
ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় জরুরি নথি সংগ্রহ ও জমা দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন আবেদনকারীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। ই-অ্যাপোস্টিলের জন্য নথি জমা দেওয়া শাহরিয়ার অর্ণব জানান, পরদিনই তাঁর নথিগুলো প্রয়োজন ছিল। ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় সময়মতো কাজ শেষ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবির বলেন, সাইবার নিরাপত্তার কারণে ওয়েবসাইট সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে ত্রুটি সংশোধন প্রয়োজন হতে পারে।
তবে একটি প্ল্যাটফর্মে বিপুলসংখ্যক সরকারি সেবা কেন্দ্রীভূত থাকলে বিকল্প ব্যবস্থাও রাখা জরুরি। আবেদনকারীদের ক্ষতি এড়াতে সময়সীমা বাড়ানো ও নিয়মিত অগ্রগতির তথ্য জানানোর ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন। অ্যাসপায়ার টু ইনোভেশন (এটুআই) উদ্যোগের আওতায় পরিচালিত মাইগভে প্রায় ৪৪০টি সরকারি সেবা রয়েছে। এর মাধ্যমে ই-অ্যাপোস্টিল, জমিসংক্রান্ত সেবা, বিভিন্ন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স এবং অনুমতি ও অনুদানের জন্য আবেদন করা যায়। বাংলাদেশের সরকারি কম্পিউটার নিরাপত্তা দল বিজিডি ই-গভ সিআইআরটির তথ্য অনুযায়ী, পুরোনো ও নিরাপত্তাঝুঁকিপূর্ণ পিএইচপি সংস্করণ ব্যবহার করছিল সরকারি-বেসরকারি ৫০টির বেশি ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ। নিরাপত্তাঝুঁকি মোকাবেলায় ত্রুটি সংশোধন ও প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা হালনাগাদ করা জরুরি।