চায়ের আড্ডাতেও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়: আইনমন্ত্রী প্রকাশিত: ৩:০৭ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও অন্যরা বাংলাদেশের সংবিধান নিয়ে শুধু আইনজ্ঞরা নন, গ্রামের চায়ের দোকানে বসেও সাধারণ মানুষ আলোচনা করেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আইনমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বিকেল বা সন্ধ্যার চায়ের আড্ডায় মানুষ সংবিধানের সংশোধন, প্রয়োগযোগ্যতা ও বিভিন্ন বিধান নিয়ে আলোচনা করেন। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। বিগত সরকারের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। এসব ঘটনা এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পুলিশ কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে-এমন কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। তিনি আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যুক্তিসংগত সন্দেহের ঊর্ধ্বে প্রমাণিত হওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালেও গ্রহণযোগ্য। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিসটেনসন তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস ও ‘We the People’ দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষার নীতিগুলো যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অপরিহার্য। আরও পড়ুন বিরোধী দলের লং মার্চে নাশকতার আশঙ্কা করছেন রাশেদ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, সংবিধান কোনো বিমূর্ত একাডেমিক বিষয় নয়; এটি একটি জীবন্ত চর্চা। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় আইন শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন’ বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা দুই দেশের সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। Download PhotoCard SHARES শিক্ষা বিষয়: চায়ের আড্ডাতেও সংবিধান নিয়ে আলোচনা হয়: আইনমন্ত্রী
বাংলাদেশের সংবিধান নিয়ে শুধু আইনজ্ঞরা নন, গ্রামের চায়ের দোকানে বসেও সাধারণ মানুষ আলোচনা করেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আইনমন্ত্রী বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বিকেল বা সন্ধ্যার চায়ের আড্ডায় মানুষ সংবিধানের সংশোধন, প্রয়োগযোগ্যতা ও বিভিন্ন বিধান নিয়ে আলোচনা করেন।
এর মাধ্যমে তারা নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন, যা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। বিগত সরকারের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, গত ছয় মাসের বেশি সময় ধরে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি।
এসব ঘটনা এখন প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। পুলিশ কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে-এমন কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যুক্তিসংগত সন্দেহের ঊর্ধ্বে প্রমাণিত হওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে, যা যেকোনো আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালেও গ্রহণযোগ্য। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিসটেনসন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। সভাপতিত্ব করেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকরামুল হক। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিসটেনসন তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস ও ‘We the People’ দর্শনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার সুরক্ষার নীতিগুলো যেকোনো গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য অপরিহার্য। আরও পড়ুন বিরোধী দলের লং মার্চে নাশকতার আশঙ্কা করছেন রাশেদ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, সংবিধান কোনো বিমূর্ত একাডেমিক বিষয় নয়; এটি একটি জীবন্ত চর্চা। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক অভিজ্ঞতার পারস্পরিক বিনিময় আইন শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উদ্বোধনী পর্ব শেষে ‘ইউএস কনস্টিটিউশন’ বিষয়ক একটি প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, আইনজীবী ও শিক্ষার্থীরা দুই দেশের সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন।