প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণ গিনেস বুকে উঠবে প্রকাশিত: ১১:১৪ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাবা, মা ও সন্তানের বক্তব্য দেওয়ার নজির নেই বলে দাবি করেছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণকে কেন্দ্র করে তিনি ঘটনাটিকে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়ার মতো বলে মন্তব্য করেছেন। নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণের আগে বাবা, মা ও সন্তান—তিন প্রজন্মের কারও একই পরিবারের ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘের অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার ঘটনা তিনি খুঁজে পাননি। তিনি বলেন, ‘আমি নিজে গুগল, চ্যাটজিপিটিসহ ১৭টি এআই প্ল্যাটফর্মে সার্চ করে দেখেছি। তারেক রহমানের জাতিসংঘে ভাষণের পর আমার মনে হয়েছে, এই ঘটনা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়ার মতো।’ উল্লেখ্য, বিভিন্ন প্রতিবেদনে তারেক রহমানকে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার পর জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিতে যাওয়া ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারেক রহমান ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। এ সময় ওই নেতা বলেন, এ ঘটনায় তারা গর্বিত ও আনন্দিত। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে নেতাকর্মীরা স্লোগানে মুখরিত হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বক্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। তার দাবি, বাংলাদেশের কিছু ‘অপশক্তি, দুষ্কৃতকারী ও পলায়নকারী’ ব্যক্তি নিউইয়র্কে বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ডের কথা বললেও তারা কোনো কিছু করতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ জিয়ার সৈনিকরা, আমাদের মাতৃতুল্য বেগম জিয়ার সন্তানরা এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানের কর্মীরা—একজনও জীবিত থাকতে আমার নেতার ওপর হামলা করার দুঃসাহস করলে তাদের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’ এ সময় তিনি বলেন, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যোগ দিতে নিউইয়র্কে এসেছেন। তাকে স্বাগত জানাতেই তারা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। তারেক রহমান ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন এবং ২২ সেপ্টেম্বর সেখানে পৌঁছান। ওই নেতা আরও দাবি করেন, ‘পতিত, পলাতক খুনি হাসিনার কিছু দোসর’ তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়েছে। তাদের প্রতিহত করতেই তারা সেখানে অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি। নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতির কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য, তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সেখানে জড়ো হয়েছেন। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাবা, মা ও সন্তানের পারিবারিক ধারাবাহিকতায় বক্তব্য দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য আরেকটি ‘ইতিহাস’ তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া ৪০ বছর পর বাংলাদেশ ১৯৩টি দেশের প্রতিনিধিত্ব করে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সভাপতির আসনে বসেছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ মেয়াদের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের এ অর্জনের জন্য দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ওই নেতা। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকেও সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। Download PhotoCard SHARES জাতীয় বিষয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান