ঘাড়-কাঁধের ব্যথায় স্বস্তি মিলতে পারে সহজ কিছু স্ট্রেচিংয়ে প্রকাশিত: ১১:২৯ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করা, কিংবা মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় অনেকক্ষণ ঘাড় নিচু করে রাখার কারণে ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড় শক্ত হয়ে যায়। পরে সেই অস্বস্তি ছড়িয়ে পড়ে কাঁধেও। পেশিতে টান ধরার কারণে ঘাড় ঘোরাতেও কষ্ট হয়। এ ধরনের সমস্যায় অনেকে দ্রুত আরামের জন্য ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করেন। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা ও সঠিক স্ট্রেচিং ঘাড়-কাঁধের পেশির নমনীয়তা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে। সহজ কয়েকটি ব্যায়াম নিয়ম মেনে করার চেষ্টা করা যেতে পারে। নেক স্ট্রেচ চেয়ারে মেরুদণ্ড সোজা রেখে বসুন। দুই কাঁধ স্বাভাবিক ও স্থির রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে মাথা ডান দিকে ঘোরান এবং আবার মাঝখানে ফিরিয়ে আনুন। একইভাবে বাঁ দিকেও করুন। দুই দিক মিলিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করা যায়। এরপর মাথা ধীরে পেছনের দিকে হেলিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন। একইভাবে মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে আবার সোজা করুন। সব সময় ধীরে করতে হবে, যাতে ঘাড়ে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। শোল্ডার রোল সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বা বসে কাঁধ দুটিকে ধীরে ধীরে গোল করে ঘোরান। প্রথমে কয়েকবার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং পরে বিপরীত দিকে ঘোরাতে পারেন। এই ব্যায়াম কাঁধের পেশি সচল রাখতে এবং শক্তভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। আদভাসন ম্যাটের ওপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা সোজা ও শরীর আরামদায়ক অবস্থায় রাখুন। এরপর দুই হাত মাথার ওপরের দিকে সোজা করে বাড়িয়ে দিন। কনুই ভাঁজ না করে কপাল মেঝেতে রাখুন। শরীরকে যতটা সম্ভব শিথিল রেখে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন। কয়েক মিনিট এই অবস্থানে থাকা যেতে পারে। তবে অস্বস্তি বা ব্যথা বাড়লে সঙ্গে সঙ্গে থেমে যেতে হবে। ওয়াল পুশ-আপ দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে দুই হাত কাঁধ বরাবর দেওয়ালে রাখুন। এরপর পুশ-আপের মতো ধীরে ধীরে শরীর দেওয়ালের দিকে এগিয়ে নিন এবং আবার পেছনে ফিরিয়ে আনুন। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে ঘাড়, কাঁধ ও শরীরের ওপরের অংশের পেশিগুলো সক্রিয় হয়। নিয়মিত ও সঠিকভাবে করলে পেশির শক্তভাব কমাতে এবং নড়াচড়ার স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে। তবে ঘাড় বা কাঁধের ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, খুব তীব্র হলে কিংবা হাত পর্যন্ত ঝিনঝিনি বা দুর্বলতা দেখা দিলে শুধু স্ট্রেচিংয়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এএটি Download PhotoCard SHARES স্বাস্থ্য বিষয়: ঘাড়-কাঁধের ব্যথায় স্বস্তি মিলতে পারে সহজ কিছু স্ট্রেচিংয়ে
দীর্ঘ সময় কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করা, কিংবা মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় অনেকক্ষণ ঘাড় নিচু করে রাখার কারণে ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড় শক্ত হয়ে যায়।
এ ধরনের সমস্যায় অনেকে দ্রুত আরামের জন্য ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করেন। তবে নিয়মিত শরীরচর্চা ও সঠিক স্ট্রেচিং ঘাড়-কাঁধের পেশির নমনীয়তা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।
দুই কাঁধ স্বাভাবিক ও স্থির রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে মাথা ডান দিকে ঘোরান এবং আবার মাঝখানে ফিরিয়ে আনুন। একইভাবে বাঁ দিকেও করুন। দুই দিক মিলিয়ে কয়েকবার অনুশীলন করা যায়। এরপর মাথা ধীরে পেছনের দিকে হেলিয়ে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনুন। একইভাবে মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে আবার সোজা করুন। সব সময় ধীরে করতে হবে, যাতে ঘাড়ে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। শোল্ডার রোল সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বা বসে কাঁধ দুটিকে ধীরে ধীরে গোল করে ঘোরান। প্রথমে কয়েকবার ঘড়ির কাঁটার দিকে এবং পরে বিপরীত দিকে ঘোরাতে পারেন। এই ব্যায়াম কাঁধের পেশি সচল রাখতে এবং শক্তভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। আদভাসন ম্যাটের ওপর উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। দুই পা সোজা ও শরীর আরামদায়ক অবস্থায় রাখুন। এরপর দুই হাত মাথার ওপরের দিকে সোজা করে বাড়িয়ে দিন। কনুই ভাঁজ না করে কপাল মেঝেতে রাখুন। শরীরকে যতটা সম্ভব শিথিল রেখে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন। কয়েক মিনিট এই অবস্থানে থাকা যেতে পারে। তবে অস্বস্তি বা ব্যথা বাড়লে সঙ্গে সঙ্গে থেমে যেতে হবে। ওয়াল পুশ-আপ দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে দুই হাত কাঁধ বরাবর দেওয়ালে রাখুন। এরপর পুশ-আপের মতো ধীরে ধীরে শরীর দেওয়ালের দিকে এগিয়ে নিন এবং আবার পেছনে ফিরিয়ে আনুন। এই ব্যায়ামের মাধ্যমে ঘাড়, কাঁধ ও শরীরের ওপরের অংশের পেশিগুলো সক্রিয় হয়। নিয়মিত ও সঠিকভাবে করলে পেশির শক্তভাব কমাতে এবং নড়াচড়ার স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে। তবে ঘাড় বা কাঁধের ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, খুব তীব্র হলে কিংবা হাত পর্যন্ত ঝিনঝিনি বা দুর্বলতা দেখা দিলে শুধু স্ট্রেচিংয়ের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।