পরিপালন প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানের এমডি-ক্যামেলকোর যৌথ সই বাধ্যতামূলক

প্রকাশিত: ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধে (এএমএল/সিএফটি) তদারকি আরও জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের পর পাঠানো শোকজের জবাব, পরিপালন প্রতিবেদন ও বিশেষ আর্থিক বিবরণীতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তার (ক্যামেলকো) যৌথ সই থাকতে হবে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ (বিএমএলপিডি) এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে। এতে সব তফসিলি ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের এমডি ও প্রধান নির্বাহীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, এএমএল/সিএফটি কার্যক্রমের পরিপালন পরিস্থিতি যাচাইয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ও বিশেষ পরিদর্শন করে। এসব পরিদর্শনের পর বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ব্যাখ্যা, তথ্য বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

অফশোর ব্যাংকিংয়ে বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের সুযোগ বাড়লো

কেন্দ্রীয় ব্যাংক লক্ষ্য করেছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর প্রত্যক্ষ সই ছাড়াই এসব বিষয়ে পরিপালন প্রতিবেদন বা ব্যাখ্যা পাঠানো হচ্ছে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও পরিপালন কাঠামো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পাঠানো সব ধরনের পরিপালন প্রতিবেদন, বিশেষ আর্থিক বিবরণী, শোকজের জবাব ও অন্যান্য ব্যাখ্যায় এমডি/সিইও এবং ক্যামেলকোর যৌথ সই থাকতে হবে।

তবে, এমডি বা সিইও অনুপস্থিত থাকলে বিধি অনুযায়ী আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এসব নথিতে সই করতে পারবেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০২৩), ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এবং পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪-এর আওতায় এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইএআর/এএমএ