মানিলন্ডারিং ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত: ১:০৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধে (এএমএল/সিএফটি) তদারকি আরও জোরদার করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিদর্শনের পর পাঠানো শোকজের জবাব, পরিপালন প্রতিবেদন ও বিশেষ আর্থিক বিবরণীতে ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং প্রধান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ পরিপালন কর্মকর্তা (ক্যামেলকো)-এর যৌথ সই থাকতে হবে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কার্যে অর্থায়ন প্রতিরোধ বিভাগ (বিএমএলপিডি) এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে সব তফসিলি ব্যাংক, ফাইন্যান্স কোম্পানি এবং মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের এমডি ও প্রধান নির্বাহীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়। সার্কুলারে বলা হয়েছে, এএমএল/সিএফটি কার্যক্রমের পরিপালন পরিস্থিতি যাচাই করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ও বিশেষ পরিদর্শন পরিচালনা করে। পরিদর্শনের পর বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে ব্যাখ্যা, তথ্য কিংবা কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর সরাসরি সই ছাড়াই এসব বিষয়ে পরিপালন প্রতিবেদন বা ব্যাখ্যা পাঠানো হচ্ছে। এতে প্রতিষ্ঠানের সুশাসন ও পরিপালন কাঠামো ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পাঠানো সব ধরনের পরিপালন প্রতিবেদন, বিশেষ আর্থিক বিবরণী, শোকজের জবাব এবং অন্যান্য ব্যাখ্যায় এমডি/সিইও ও ক্যামেলকোর যৌথ স্বাক্ষর থাকতে হবে। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের এমডি বা সিইও অনুপস্থিত থাকলে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী আইনগতভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট নথিতে স্বাক্ষর করতে পারবেন। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (সংশোধিত ২০২৩), ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এবং পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থা আইন, ২০২৪-এর আওতায় এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। Download PhotoCard SHARES অর্থনীতি বিষয়: মানিলন্ডারিং ঠেকাতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের