ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে মরক্কো, চালু হচ্ছে দূতাবাসও প্রকাশিত: ৩:৩২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে একমত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। এর অংশ হিসেবে উভয়েই নিজেদের কূটনৈতিক মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত করবে। একই সঙ্গে, রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়েও সম্মত হয়েছে তারা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের আয়োজনে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার ও মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা অংশ নেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগে জোর বৈঠকে দুই পক্ষ অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা করে। এ ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দ্বৈত কর পরিহার–সংক্রান্ত দুটি চুক্তি চলতি বছরের শেষ নাগাদ সম্পন্ন করার বিষয়ে একমত হয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মরক্কো ও ইসরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা দুই পক্ষের অভিন্ন স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি শান্তির প্রচেষ্টাকেও এগিয়ে নেবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সরাসরি ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা বৈঠকে আকাশপথে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। এর অংশ হিসেবে নিজেদের উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোর পরিচালিত সরাসরি ফ্লাইট ফের চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী কয়েক মাসে দুই পক্ষের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সফরের পরিকল্পনাও নিশ্চিত করা হয়েছে। আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ছয় বছর ইসরায়েল ও মরক্কোর এই উদ্যোগ এমন সময়ে এল, যখন আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ষষ্ঠ বার্ষিকী পালিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ২০২০ সালে এই চুক্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো ও সুদান এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। চুক্তির লক্ষ্য ছিল আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা। মরক্কো ২০২০ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়। নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে দুই পক্ষের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাওয়ার পথে এগোচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা Download PhotoCard SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াচ্ছে মরক্কোচালু হচ্ছে দূতাবাসও