চীনের ল্যাবে বাংলাদেশি স্বপ্নবাজ শাহীনুর আলম প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬ মবিনুল ইসলাম রাশা ময়মনসিংহের মাঠে ক্রিকেট খেলে বেড়ে ওঠা এক তরুণের প্রযুক্তির প্রতি কৌতূহল তাকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে গেছে চিকিৎসাপ্রযুক্তির নতুন জগতে। সেই তরুণ গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিকেল ফিজিক্স বিভাগের শিক্ষার্থী। পরবর্তী সময়ে দেশের প্রথম রোবোটিক সার্জারিতে অ্যাপ্লিকেশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নাম শাহীনুর আলম। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে দেশের প্রথম রোবোটিক সার্জারির অ্যাপ্লিকেশন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার এই অসাধারণ জার্নিটি তুলে ধরেছেন শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মী মবিনুল ইসলাম রাশা। বিজ্ঞাপন ময়মনসিংহের মাঠ থেকে প্রযুক্তির জগতে ময়মনসিংহ শহরের কাটাতারের ফাঁক গলে আসা বিকেলের রোদ আর বিভাগীয় স্টেডিয়ামের লাল মাটির গন্ধে কেটেছে শাহীনুরের শৈশব ও কৈশোর। সাধারণ নিম্নবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠায় জীবনে বিলাসিতা ছিল না। তবে স্বপ্ন দেখার ক্ষেত্রে কোনো সীমাবদ্ধতা ছিল না। তার বাবা-মা এখন আর বেঁচে নেই। অভাবের সঙ্গে লড়াই করে মাথা উঁচু করে বাঁচার যে মূল্যবোধ তারা শিখিয়েছিলেন, সেটিই শাহীনুরের পথচলায় বড় প্রেরণা হয়ে আছে। ছোটবেলায় ক্রিকেটের প্রতি ছিল তার প্রবল আগ্রহ। বিসিবি ইয়ং টাইগার্স ও জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ব্যাট-বলের লড়াইয়ে সময় কাটত। তবে ক্রিকেটের পাশাপাশি প্রযুক্তির প্রতিও তৈরি হয়েছিল আলাদা কৌতূহল। গোধূলির আলো ফুরিয়ে এলে দাদার পাশে বসে টেলিভিশনে ডিসকভারি চ্যানেল দেখতেন তিনি। জটিল সব যন্ত্রের কার্যপ্রণালি এবং মানুষের উদ্ভাবনী ক্ষমতা তাকে মুগ্ধ করত। তখন অবশ্য জানা ছিল না, এই কৌতূহল একদিন তাকে দেশের চিকিৎসাপ্রযুক্তির নতুন একটি অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত করবে। ময়মনসিংহ ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয় ও নটরডেম কলেজের পড়াশোনা শেষে শাহীনুর ভর্তি হন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে। Download PhotoCard SHARES চাকরি বিষয়: চীনের ল্যাবে বাংলাদেশি স্বপ্নবাজ শাহীনুর আলম