গ্রিসে ভবন ধসে নিহত ৬, চারজনই মার্কিন নাগরিক প্রকাশিত: ৯:৪০ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের ঐতিহাসিক প্লাকা এলাকায় বিস্ফোরণের পর একটি ভবন ধসে ছয়জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বিস্ফোরণের পর দুইতলা ভবনটি ধসে পড়লে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ধ্বংসস্তূপ থেকে সর্বশেষ দুইজনের মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের সংখ্যা ছয়ে দাঁড়ায়। উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে চারজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। ধ্বংসস্তূপে পাওয়া নথি ও ব্যক্তিগত সামগ্রী থেকে তাদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নিহত অপর দুজন ছিলেন ভবনটির দ্বিতীয় তলায় বসবাসকারী এক বয়স্ক দম্পতি—একজন ব্রিটিশ পুরুষ ও একজন গ্রিক নারী। বিস্ফোরণের পর ভবনটির আশপাশের কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশের একটি ভবনের দুই নারী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে আশপাশের কয়েকটি ভবন খালি করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাশাপাশি উদ্ধারকারী কুকুর, জিওফোন ও বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা শনাক্ত করতে এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করেন উদ্ধারকারীরা। প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে গ্যাস লিকেজের বিষয়টি সামনে এসেছে। এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ক্ষয়ক্ষতি পুরো সড়কজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশের দুটি ভবনও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেগুলো ভেঙে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত চার মার্কিন নাগরিক ওই এলাকায় পর্যটক হিসেবে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সকালে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার ফ্লাইট ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে, প্লাকার বাসিন্দাদের একটি সংগঠন দাবি করেছে, প্রায় এক বছর আগে তারা এলাকায় গ্যাস লিকেজ ও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। Download PhotoCard SHARES আন্তর্জাতিক বিষয়: গ্রিসে ভবন ধসে নিহত ৬চারজনই মার্কিন নাগরিক
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে চারজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন। তাদের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। ধ্বংসস্তূপে পাওয়া নথি ও ব্যক্তিগত সামগ্রী থেকে তাদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। নিহত অপর দুজন ছিলেন ভবনটির দ্বিতীয় তলায় বসবাসকারী এক বয়স্ক দম্পতি—একজন ব্রিটিশ পুরুষ ও একজন গ্রিক নারী। বিস্ফোরণের পর ভবনটির আশপাশের কয়েকটি স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশের একটি ভবনের দুই নারী আহত হয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে আশপাশের কয়েকটি ভবন খালি করে দেওয়া হয়। উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাশাপাশি উদ্ধারকারী কুকুর, জিওফোন ও বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকে আছেন কি না, তা শনাক্ত করতে এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করেন উদ্ধারকারীরা। প্রাথমিকভাবে বিস্ফোরণের কারণ হিসেবে গ্যাস লিকেজের বিষয়টি সামনে এসেছে। এথেন্সের মেয়র হারিস দুকাস জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ক্ষয়ক্ষতি পুরো সড়কজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশের দুটি ভবনও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেগুলো ভেঙে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত চার মার্কিন নাগরিক ওই এলাকায় পর্যটক হিসেবে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সকালে তাদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার ফ্লাইট ছিল বলে জানা গেছে। এদিকে, প্লাকার বাসিন্দাদের একটি সংগঠন দাবি করেছে, প্রায় এক বছর আগে তারা এলাকায় গ্যাস লিকেজ ও বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।