গল্পটা আবারও লেখা হলো, রেকর্ড ব্যালন ডি’অর অ্যালেক্সিয়ার প্রকাশিত: ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০২৬ একসময় মনে হয়েছিল, ফুটবল মাঠে তার পথচলা বুঝি থমকে যাবে। ২০২২ সালে ভয়াবহ চোট কেড়ে নিতে বসেছিল তার স্বপ্নের পথচলা। কিন্তু হার মানেননি অ্যালেক্সিয়ার পুতেয়াস। লড়াই করেছেন, ফিরেছেন আরো শক্ত হয়ে। সময়ের স্রোত পেরিয়ে আবারও ছুঁয়েছেন বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ শিখর। এবার গড়েছেন নতুন ইতিহাসও। রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো জিতেছেন নারী ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে অ্যালেক্সিয়া পেছনে ফেলেছেন বার্সেলোনার স্ট্রাইকার এওয়া পায়ো ও তৃতীয় হওয়া ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড খাদিজা শকে। অ্যালেক্সিয়া ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতায় টানা ষষ্ঠবারের মতো পুরস্কারটি থাকল স্পেনের ঘরেই। এর আগে তার মতোই তিনবার ব্যালন ডি’অর জয়ের কীর্তি গড়েন আইতানা বোনমাতি। অ্যালেক্সিয়ার জাতীয় ও সাবেক বার্সেলোনা ক্লাব সতীর্থ আবার সর্বশেষ তিনবারই জিতেছেন মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা হ্যাটট্রিক ব্যালন ডি’অর জেতেন বোনমাতি। বিপরীতে এবারের আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দুবার পুরস্কার জেতেন অ্যালেক্সিয়া। দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার জয়ের বছরেই ভয়ংকর এসিএল চোটে পড়েছিলেন স্পেনের মিডফিল্ডার। তবে ফিরে এসে সর্বশেষ মৌসুমে অধিনায়ক হিসেবে বার্সেলোনাকে জেতান চ্যাম্পিয়নস লিগ। সঙ্গে আরো তিন শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ৫৩ ম্যাচে ২৬ গোল করেন তিনি। সঙ্গে ১৫ অ্যাসিস্ট। বার্সাকে ‘কোয়াড্রপল’ জেতানোর পর গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগের দল লন্ডন সিটি লায়নেসে যোগ দেন ৩২ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। চোট থেকে ফিরে এসে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বার্তাই দিলেন অ্যালেক্সিয়া। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বের সব ছেলে ও মেয়েকে বলতে চাই, ফুটবল ভালোবাসলে এবং খেলতে চাইলে খেলো। তুমি ছেলে না মেয়ে, তা কোনো বিষয় নয়। তুমি কোথা থেকে এসেছ, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেউ যদি বলে তুমি পারবে না, তার কথা শুনবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো।’ অ্যালেক্সিয়ার ব্যালন ডি’অর জয় মনে করিয়ে দিল—স্বপ্নের পথে বাধা আসতে পারে, কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলে ফিরে আসার পথও তৈরি হয়। Download PhotoCard SHARES খেলাধুলা বিষয়: গল্পটা আবারও লেখা হলোরেকর্ড ব্যালন ডি’অর অ্যালেক্সিয়ার
একসময় মনে হয়েছিল, ফুটবল মাঠে তার পথচলা বুঝি থমকে যাবে। ২০২২ সালে ভয়াবহ চোট কেড়ে নিতে বসেছিল তার স্বপ্নের পথচলা।
কিন্তু হার মানেননি অ্যালেক্সিয়ার পুতেয়াস। লড়াই করেছেন, ফিরেছেন আরো শক্ত হয়ে। সময়ের স্রোত পেরিয়ে আবারও ছুঁয়েছেন বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ শিখর। এবার গড়েছেন নতুন ইতিহাসও।
রেকর্ড তৃতীয়বারের মতো জিতেছেন নারী ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে অ্যালেক্সিয়া পেছনে ফেলেছেন বার্সেলোনার স্ট্রাইকার এওয়া পায়ো ও তৃতীয় হওয়া ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড খাদিজা শকে। অ্যালেক্সিয়া ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জেতায় টানা ষষ্ঠবারের মতো পুরস্কারটি থাকল স্পেনের ঘরেই। এর আগে তার মতোই তিনবার ব্যালন ডি’অর জয়ের কীর্তি গড়েন আইতানা বোনমাতি।
অ্যালেক্সিয়ার জাতীয় ও সাবেক বার্সেলোনা ক্লাব সতীর্থ আবার সর্বশেষ তিনবারই জিতেছেন মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি। ২০২৩, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা হ্যাটট্রিক ব্যালন ডি’অর জেতেন বোনমাতি। বিপরীতে এবারের আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দুবার পুরস্কার জেতেন অ্যালেক্সিয়া। দ্বিতীয়বার শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার জয়ের বছরেই ভয়ংকর এসিএল চোটে পড়েছিলেন স্পেনের মিডফিল্ডার। তবে ফিরে এসে সর্বশেষ মৌসুমে অধিনায়ক হিসেবে বার্সেলোনাকে জেতান চ্যাম্পিয়নস লিগ।
সঙ্গে আরো তিন শিরোপা জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ৫৩ ম্যাচে ২৬ গোল করেন তিনি। সঙ্গে ১৫ অ্যাসিস্ট। বার্সাকে ‘কোয়াড্রপল’ জেতানোর পর গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের নারী সুপার লিগের দল লন্ডন সিটি লায়নেসে যোগ দেন ৩২ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। চোট থেকে ফিরে এসে শ্রেষ্ঠত্বের পুরস্কার জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে অনুপ্রেরণামূলক বার্তাই দিলেন অ্যালেক্সিয়া। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বের সব ছেলে ও মেয়েকে বলতে চাই, ফুটবল ভালোবাসলে এবং খেলতে চাইলে খেলো। তুমি ছেলে না মেয়ে, তা কোনো বিষয় নয়। তুমি কোথা থেকে এসেছ, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ নয়। কেউ যদি বলে তুমি পারবে না, তার কথা শুনবে না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো।’ অ্যালেক্সিয়ার ব্যালন ডি’অর জয় মনে করিয়ে দিল—স্বপ্নের পথে বাধা আসতে পারে, কিন্তু নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলে ফিরে আসার পথও তৈরি হয়।