যানজট কমাতে সরছে গাবতলী-মহাখালী-সায়েদাবাদ টার্মিনাল

প্রকাশিত: ১২:০৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬

রাজধানীর যানজট কমাতে গাবতলী, মহাখালী, সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান বাস টার্মিনালের ওপর চাপ কমিয়ে বিকল্প স্থান ও বিদ্যমান ডিপোগুলো ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং সিটি করপোরেশনের অধীন টার্মিনালগুলো আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও দেখুন
সংবাদ বিশ্লেষণ সেবা
আইন আদালত আপডেট
Government Agencies

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলনকক্ষে বৃহত্তর ঢাকার যানজট নিরসনে গঠিত জাতীয় কমিটির সভা শেষে সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যানজট নিরসনে এর আগে নেওয়া নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়ন কতটা এগিয়েছে, কোন কাজগুলো দ্রুত করা প্রয়োজন এবং সেগুলো বাস্তবায়নে কী ধরনের পদক্ষেপ দরকার—সভায় এসব বিষয় পর্যালোচনা করা হয়েছে। সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, রাজধানীর যানজটের অন্যতম বড় কারণ শহরের ভেতরে বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনের অতিরিক্ত চাপ। এ চাপ কমাতে বিদ্যমান টার্মিনালগুলোর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অবকাঠামো ব্যবহারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে কাঁচপুর ও পূর্বাচল এলাকায় থাকা ডিপো ও অন্যান্য অবকাঠামো কাজে লাগানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গাবতলী বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। টার্মিনালের আশপাশের নতুন জায়গাগুলো দ্রুত ব্যবহারের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আরও দেখুন
News
বিশেষ প্রতিবেদন সংগ্রহ
South Asians & Diaspora

প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে গণপরিবহনের চাপ কমাতে বিকল্প টার্মিনাল ও ডিপোগুলো দ্রুত কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতে শহরের ভেতরে বাসের প্রবেশ কমিয়ে যানজট নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঢাকার আশপাশের নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কের ওপর থাকা অবৈধ স্থাপনাকেও যানজটের অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে সড়কগুলো যান চলাচলের উপযোগী করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ বলেন, শুধু রাজধানীর অভ্যন্তরের যানজট কমালেই হবে না, বৃহত্তর ঢাকার পুরো যোগাযোগব্যবস্থাকে বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এ জন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কের প্রতিবন্ধকতা দূর করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং গণপরিবহনের শৃঙ্খলাপূর্ণ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় সিটি করপোরেশনগুলোর ব্যবস্থাপনায় থাকা বাস টার্মিনালগুলোর উন্নয়ন, নির্ধারিত বাস কাউন্টার স্থাপন, যাত্রীসেবার মান বাড়ানো এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। এর অংশ হিসেবে এসি বাসগুলোকে নির্দিষ্ট টার্মিনাল ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

আরও দেখুন
History
Corporate & Financial Crime
Campaigns & Elections

সভায় ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, সড়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।