চুয়েটে দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি প্রকাশিত: ৩:৫৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে আসতে পারেন এমন খবরে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী স্লোগান ও ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি আঁকেন শিক্ষার্থীরা। সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও অ্যাকাডেমিক ভবনের দেয়ালে এসব গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয়। গ্রাফিতির মাধ্যমে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহালের দাবি জানানো হয়। এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম চলমান আন্দোলনকে ‘ক্ষুদ্র’ উল্লেখ করে দাবি করেন, ক্যাম্পাসে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। একইসঙ্গে তালা খুলে দিয়ে তাকে বরণ করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি। এ বক্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার দুপুর দেড়টায় নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করারও কথা রয়েছে। এছাড়া আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরবর্তী কর্মসূচি জানাতে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তারা। গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের ইটিই বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে চুয়েট। ২০২৫ সালে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দীর্ঘসময় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট)। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ২৫ এপ্রিল কুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ এবং সহ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। Download PhotoCard SHARES ক্যাম্পাস বিষয়: চুয়েটে দেয়ালে প্রতিবাদী গ্রাফিতি
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম ক্যাম্পাসে আসতে পারেন এমন খবরে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদী স্লোগান ও ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি আঁকেন শিক্ষার্থীরা।
সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও অ্যাকাডেমিক ভবনের দেয়ালে এসব গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয়। গ্রাফিতির মাধ্যমে উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে বহালের দাবি জানানো হয়।
এর আগে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম চলমান আন্দোলনকে ‘ক্ষুদ্র’ উল্লেখ করে দাবি করেন, ক্যাম্পাসে ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছে। একইসঙ্গে তালা খুলে দিয়ে তাকে বরণ করার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
এ বক্তব্যের প্রতিবাদে শনিবার দুপুর দেড়টায় নবনিযুক্ত উপাচার্যকে ‘লাল কার্ড’ দেখানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। একই সময়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করারও কথা রয়েছে।
এছাড়া আন্দোলনের সার্বিক পরিস্থিতি ও পরবর্তী কর্মসূচি জানাতে বিকেল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন তারা। গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে কুয়েটের ইটিই বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই উত্তাল হয়ে ওঠে চুয়েট। ২০২৫ সালে শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দীর্ঘসময় ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ছিল খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট)। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ওই বছরের ২৫ এপ্রিল কুয়েটের তৎকালীন উপাচার্য ড. মুহাম্মদ মাছুদ এবং সহ-উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল আলমকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।