বিমান বন্দরের রাডার স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ বাড়ছে

প্রকাশিত: ১২:২৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০২৫

হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সমন্বিত করা হবে। এ জন্য ‘হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিস্টেমসহ রাডার স্থাপন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে ব্যয় হবে ৭৩০ কোটি ১৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। প্রকল্পটি ২০২১ সালের জুলাই থেকে গত জুন মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়। এখন আবার এক বছর বাড়ানোর অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত প্রস্তাব করা হয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ব্যয়ও।

গত ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্পটির স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) সভা। এতে সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান। সেখানে এই মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ রয়েছে ৪৬ কোটি ২২ লাখ টাকা। গত নভেম্বর পর্যন্ত প্রবকল্পটির ভৌত কাজের ক্রমপুঞ্জিত অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ২০ শতাংশে।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান সভায় বলেন, প্রকল্পের তথ্য সি-পিআইএমএস এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পোনেন্টের জন্য বেবিচক থেকে গঠিত কমিটি দ্রুত প্রতিবেদন দাখিল করবে। নতুন থার্ড টার্মিনাল, টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ এর সঙ্গে সিএনএস-রাডার প্রকল্পের সঙ্গে এয়ারপোর্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সমন্বিত করা হবে।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, সংশোধিত প্রস্তাবিত প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৪৫ কোটি টাকা। অনুমোদিত প্রকল্প হতে ২১৯ কোটি টাকা বেশি প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত মুদ্রা বিনিময় হারের কারণে ১৪৫ কোটি কোটি টাকা বেশি ভেরিয়েশন প্রস্তাব এসেছে। তাছাড়া ট্যাক্স, ভ্যাট নতুন রেটের জন্য আরও ৭৫ কোটি টাকা বেড়েছে।

সভায় অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) বলেন, ভেরিয়েশন প্রস্তাবসহ নতুন সংশোধিত প্রস্তাব এখনো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। ডিপিপি সংশোধন করতে হবে। তারপর ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করতে হবে।

এ ছাড়া সভায় প্রকল্প পরিচালক বলেন, এটিএমসিসির (এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট কন্ট্রোলসেন্টার) কাজ শেষ হয়েছে। নতুন রাডারের সাইট এ্যাসেপটেন্স টেস্ট এবং ফ্লাইট ক্যালিব্রেশন কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে নতুন রাডার অপারেশনে রয়েছে। ঢাকা, সিলেট, বরিশাল, সৈয়দপুর ও কক্সবাজার বিমানবন্দর এবং টি এক্স সাইটে ভিসিসিএস, ভিএইচএফ বা এইচএফের হার্ডওয়্যার ইনস্টলেশন কাজ শেষে টেস্ট শেষ হয়েছে।