কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী প্রকাশিত: ১২:৪৬ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ দেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ কারণে সরকার উদ্যোক্তা তৈরিতে জোড় দিচ্ছে বলে জানান তিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পটির আওতায় দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।’ আজ সোমবার কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যাবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, এটি একটি পাইলট প্রকল্প, যার ব্যয় ৫০ কোটি টাকা। যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পায় তাদের ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থানে নিয়ে উদ্যোক্তা তৈরির জন্যই কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। এ সময় তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংককেও এমন কর্মসূচি হাতে নেওয়ার আহ্বান জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা জিডিপি, চ্যারিটি নয়। এমনকি গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীলতা যাদের আছে তাদেরও প্রমোট করা যায়। তারাও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।’ সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে মনোযোগ, সহায়তা করতে চায় বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।। তার ভাষ্য, এটা করতে পারলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। Download PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী
দেশে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ কারণে সরকার উদ্যোক্তা তৈরিতে জোড় দিচ্ছে বলে জানান তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন প্রকল্পটির আওতায় দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।’ আজ সোমবার কর্মসংস্থান ব্যাংক আয়োজিত ক্ষুদ্র ব্যাবসা, ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্র উদ্যোগ তহবিল প্রকল্পের উদ্বোধন ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অর্থমন্ত্রী জানান, এটি একটি পাইলট প্রকল্প, যার ব্যয় ৫০ কোটি টাকা।
যারা ব্যাংকে যেতে ভয় পায় তাদের ঋণ দিয়ে কর্মসংস্থানে নিয়ে উদ্যোক্তা তৈরির জন্যই কর্মসংস্থান ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। এ সময় তিনি কর্মসংস্থান ব্যাংককেও এমন কর্মসূচি হাতে নেওয়ার আহ্বান জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এটা জিডিপি, চ্যারিটি নয়। এমনকি গানসহ বিভিন্ন সৃজনশীলতা যাদের আছে তাদেরও প্রমোট করা যায়।
তারাও অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে।’ সরকার ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে মনোযোগ, সহায়তা করতে চায় বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।। তার ভাষ্য, এটা করতে পারলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।