কুষ্টিয়ায় এমপির ভাই-ছেলেসহ ১১ জনের নামে মামলা প্রকাশিত: ৫:০৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক মাহবুব উল আহসান উল্লাসের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাংলা টিভির কুমারখালী প্রতিনিধি ও কুমারখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আহসান উল্লাস বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলার এজাহারে প্রধান আসামি হিসেবে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আফজাল হোসেনের বডিগার্ড রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এমপি আফজাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন ও ছেলে শোভন হোসেন ছাড়াও মারুফ হোসেন, মো. লিটন হোসেন, মো. আল আমিন, সোহান, আল আমিন, সাব্বির, মো. আমিরুল ইসলাম ও সাদিকের নাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী পৌরসভার গণমোড় থেকে নবগ্রহ মন্দির পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন সাংবাদিক উল্লাস। এ নিয়ে আগে বাংলা টিভিতে সংবাদও প্রচার করা হয়। শনিবার সকালে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্তে যান। এ সময় সাংবাদিক উল্লাসকেও ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করার প্রায় ৫০ মিনিট পর সাংবাদিক উল্লাস তার ক্যামেরাপার্সন সাকিব আল হাসান, এনটিভি ও সমকালের কুমারখালী উপজেলা প্রতিনিধি নয়ন হোসেনসহ কয়েকজন সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণকাজের ভিডিও ধারণ করতে যান। এ সময় একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। সাংবাদিক উল্লাসের অভিযোগ, হামলাকারীদের কয়েকজন বেকি, রামদা, কাঠের বাটাম ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা ও চোখের নিচে আঘাত লাগে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাত করা হয়। হামলায় তিনি রক্তাক্ত ও নীলাফোলা জখম হন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা সাংবাদিকদের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ওই সড়ক নির্মাণকাজ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের হত্যাসহ গুরুতর ক্ষতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। বর্তমানে আহত সাংবাদিক উল্লাসকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাংবাদিক উল্লাসের অভিযোগ, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনের ভাই ও ভাতিজাদের নেতৃত্বে একদল লোক তার ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা কুমারখালী থানায় করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিউল আলম ইভান/আরএআর মামলাহামলা Download PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: কুষ্টিয়ায় এমপির ভাই-ছেলেসহ ১১ জনের নামে মামলা
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক মাহবুব উল আহসান উল্লাসের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাংলা টিভির কুমারখালী প্রতিনিধি ও কুমারখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আহসান উল্লাস বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় এজাহার দায়ের করেন। মামলার এজাহারে প্রধান আসামি হিসেবে কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) আফজাল হোসেনের বডিগার্ড রুহুল আমিনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন এমপি আফজাল হোসেনের ভাই আনোয়ার হোসেন ও ছেলে শোভন হোসেন ছাড়াও মারুফ হোসেন, মো. লিটন হোসেন, মো. আল আমিন, সোহান, আল আমিন, সাব্বির, মো. আমিরুল ইসলাম ও সাদিকের নাম। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী পৌরসভার গণমোড় থেকে নবগ্রহ মন্দির পর্যন্ত সড়ক নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করছিলেন সাংবাদিক উল্লাস। এ নিয়ে আগে বাংলা টিভিতে সংবাদও প্রচার করা হয়। শনিবার সকালে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ঘটনাস্থলে সরেজমিনে তদন্তে যান। এ সময় সাংবাদিক উল্লাসকেও ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করার প্রায় ৫০ মিনিট পর সাংবাদিক উল্লাস তার ক্যামেরাপার্সন সাকিব আল হাসান, এনটিভি ও সমকালের কুমারখালী উপজেলা প্রতিনিধি নয়ন হোসেনসহ কয়েকজন সাংবাদিককে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণকাজের ভিডিও ধারণ করতে যান। এ সময় একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। সাংবাদিক উল্লাসের অভিযোগ, হামলাকারীদের কয়েকজন বেকি, রামদা, কাঠের বাটাম ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা ও চোখের নিচে আঘাত লাগে। শরীরের বিভিন্ন স্থানেও আঘাত করা হয়। হামলায় তিনি রক্তাক্ত ও নীলাফোলা জখম হন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা সাংবাদিকদের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করেন। এতে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন বাদী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ওই সড়ক নির্মাণকাজ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করলে সাংবাদিকদের হত্যাসহ গুরুতর ক্ষতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। বর্তমানে আহত সাংবাদিক উল্লাসকে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সাংবাদিক উল্লাসের অভিযোগ, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের জামায়াত সমর্থিত সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনের ভাই ও ভাতিজাদের নেতৃত্বে একদল লোক তার ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা কুমারখালী থানায় করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রবিউল আলম ইভান/আরএআর