কয়রায় শেষ মুহূর্তে চলছে প্রতিমায় রং-তুলির আঁচড় প্রকাশিত: ৪:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০২৬ শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে খুলনার কয়রায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। উপজেলার ৫৭টি পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। এখন রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাগুলোকে দেওয়া হচ্ছে শেষ রূপ। পাশাপাশি মণ্ডপ সাজানো ও আলোকসজ্জার কাজও এগিয়ে চলছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে কয়রা মদিনাবাদ শ্রী শ্রী সনাতন ধর্ম মন্দির, গাজীনগর সার্বজনীন পূজা মন্দির, মঠবাড়ী খড়িয়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির,দশহালিয়া দূর্গা মন্দির,আমাদী বাজার দূর্গা মন্দিরসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কারিগররা ব্যস্ত প্রতিমার চোখ-মুখ, পোশাক ও অলংকারের কাজে। কেউ তুলিতে রং করছেন, কেউ ব্যস্ত সূক্ষ্ম কারুকাজে। পূজার সময় ঘনিয়ে আসায় দিন-রাত কাজ করছেন প্রতিমাশিল্পীরা। কয়রা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দিলিপ কুমার বৈরাগী জানান, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হলেও মণ্ডপের সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি চলছে। এবার কয়রা উপজেলায় মোট ৫৭ টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দূর্গা উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এ উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। প্রতিমাশিল্পী নয়ন মন্ডল জানান,ছোট বেলা থেকে প্রতিমা তৈরী করি।প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজ শেষ হওয়ার পর রং ও তুলির কাজই প্রতিমাকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়। বিশেষ করে চোখ-মুখের অভিব্যক্তি ও অলংকারের কাজে বাড়তি যত্ন নিতে হয়। তাই পূজার আগমুহূর্তে তাদের ব্যস্ততাও বেড়েছে। এদিকে পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন।পূজার সময় উপজেলার প্রতিটি পূজামণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও ভিডিপির সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তারা দায়িত্ব পালন করবেন। কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ-আল বাকী বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব হলো দুর্গাপূজা। শারদীয় দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব পালন করতে পারে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। Download PhotoCard SHARES সারা বাংলা বিষয়: কয়রায় শেষ মুহূর্তে চলছে প্রতিমায় রং-তুলির আঁচড়